• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • FOCUS ON INNOVATION PUBLIC HEALTH AND MANUFACTURING WILL BE KEY ON BUDGET 2021 TC DC

বাজেট ২০২১: সরকারের উচিৎ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নজর দেওয়া, বলছেন বিশেষজ্ঞরা!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই পরিস্থিতিতে যদি দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নতির জোয়ার আনতে হয়, তাহলে সব লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই পরিস্থিতিতে যদি দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নতির জোয়ার আনতে হয়, তাহলে সব লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২০২১-২০২২ অর্থবর্ষের বাজেট এক দোলাচলতার মধ্যে পেশ হতে চলেছে। এর একদিকে রয়েছে অবসাদ, অন্য দিকে আশা। কেন না, গত বছর থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশের নানা ক্ষেত্রকে বিধ্বস্ত করে তুলেছে, অন্য দিকে স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৭৫ বছর ছুঁতে চলেছে দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই পরিস্থিতিতে যদি দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নতির জোয়ার আনতে হয়, তাহলে সব লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে।

সেই দিক থেকে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অর্থবরাদ্দের পরিমাণ না বাড়ালেই নয়। ইতিপূর্বে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সরকার ব্যয় বাড়াবে ২.৫ শতাংশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমরা আটকে আছি মাত্র ১.৩ শতাংশে। ফলে, এত দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, তার অন্তত ২০-২৫ গুণ এবার বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, যদি সরকার এই ব্যয় GDP-র ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেন, তাহলেও তা প্রয়োজনের মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যয়ভার বহন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে বাকি খরচের ধাক্কাটা সামলাতে হবে দেশের বাসিন্দাদের। সেটা খুব একটা সুবিধার পরিস্থিতি হবে না। কেন না, কোনও সংগঠন তার কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যখাতে যে খরচ করে থাকে, আমরা ব্যক্তিগত ভাবে যে স্বাস্থ্যবিমা কিনে থাকি, দুই ক্ষেত্রেই সুদের পরিমাণ বেশ কম!

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন যে বেতন থেকে স্বাস্থ্যবিমার যে অংশটা কেটে নেওয়া হয়, সেটাও আখেরে সাধারণ মানুষের পক্ষে লাভজনক সাব্যস্ত হয় না। কেন না, তা ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কাজেই ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছে, সেটা পূরণ করতে গেলে জনসাধারণের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ব্যয় অন্তত ১৫-২০ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে। যা সরকারি অনুদান ছাড়া সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপাতত স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অনুদান বাড়ানোর পাশাপাশি করোনা-পরিস্থিতি মাথায় রেখে আরবান হেল্থ মিশনের মতো সরকারি প্রকল্পগুলো যত দ্রুত সম্ভব চালু করতে হবে। ন্যাশনাল হেল্থ মিশন প্রাথমিক স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে পদক্ষেপের উল্লেখ করেছিল, তার সবগুলোই পূরণ করতে হবে। না হলে দেশের করোনা পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব হবে না। এই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনাকে ন্যাশনাল হেল্থ মিশনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়, প্রস্তাব রাখছেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে বয়স্কদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসা উচিৎ, সে কথা বার বার বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বলছেন, একই সঙ্গে দেশের ল্যাবরেটরিগুলোরও হাল ফেরাতে হবে। নচেৎ, তারা রোগপরীক্ষার ব্যাপারটা সামাল দিতে পারবে না। পাশাপাশি, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের ডোমেস্টিক ফার্মাসিউটিক্যাল, ভ্যাকসিন আর মেডিক্যাল ইক্যুইপমেন্ট প্রস্তুতকারীদের সহায়তা করতে হবে, উঠে আসছে সেই প্রসঙ্গও।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: