২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়া টয় ফেয়ার; সহযোগিতায় Reliance!

২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়া টয় ফেয়ার; সহযোগিতায় Reliance!

মেলাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হলেও এর ওয়েবসাইট কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ হয়ে গিয়েছে।

মেলাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হলেও এর ওয়েবসাইট কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ হয়ে গিয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বলাই বাহুল্য, এই প্রথমবার দেশ সাক্ষী থাকতে চলেছে এমন এক ইভেন্টের যা শিশুদের জন্য উৎসর্গীকৃত হচ্ছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়া টয় ফেয়ার বা দেশের প্রথম খেলনা মেলা। এই মেলা চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত। ভারতীয় খেলনার ঐতিহ্যপূর্ণ পরিসরটি যে উপলক্ষ্যে তুলে ধরা হবে দেশবাসীর কাছে।

মেলাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হলেও এর ওয়েবসাইট কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ হয়ে গিয়েছে। দেশের করোনাকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই মেলা হতে চলেছে নেটদুনিয়ার অংশ। যেখানে ভাগ নেবেন ১ হাজারেরও উপর খেলনা-নির্মাতারা। থাকবে আলাদা আলাদা খেলনার স্টল। প্লে-বেসড লার্নিং পদ্ধতির সূত্রে শিশুদের শিক্ষাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও এই মেলা আলোকপাত করবে।

এই প্রসঙ্গে, ওয়েবসাইটটি মুক্তির দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানিয়েছিলেন যে কেন এই রকম একটি মেলা বসানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। দেশে যে সব খেলনা আমদানি করা হয়, সেগুলোর প্লাস্টিক এবং ধাতুগত মান মোটেও শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ নয়। তাই সরকারের আত্ননির্ভর ভারত প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই খেলনা কুটির শিল্পের যেমন পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে, তেমনই জোর দেওয়া হয়েছে পূর্ণ শিল্প স্থাপনেও।

অন্য দিকে, খেলনাকে যে শুধুই খেলার মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিৎ নয়, সে কথা এই ওয়েবসাইট লঞ্চের দিনেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিওয়াল নিশঙ্ক (Ramesh Pokhriyal Nishank)। তিনি এই প্রসঙ্গে গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্লে-বেসড লার্নিং অ্যাক্টিভিটির উপরে। জানিয়েছেন যে নানা ইনডোর গেম, যেমন ব্লক, পাজল এই সবের মধ্যে দিয়ে শিশুদের মধ্যে শিক্ষাবিস্তারেও নানা ওয়েবিনার আয়োজন করবে ইন্ডিয়া টয় ফেয়ার।

সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও (Smriti Irani)। তিনি জানিয়েছেন যে এবার দেশীয় পণ্য এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। তাঁর বক্তব্য- কী ভাবে খেলনা তৈরি হয়, তাও এই মেলায় তুলে ধরা হবে। লঞ্চ করা হবে নতুন নতুন প্রোডাক্টও।

খেলনা-নির্মাতা এবং বিক্রেতাদের পাশাপাশি এই মেলায় অংশ নেবে NCERT, SCERTs, CBSE বোর্ডের শিক্ষক-ছাত্র, গান্ধীনগর আইআইটি, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ডিজাইন এবং আহমেদাবাদের চিলড্রেন ইউনিভার্সিটি।

প্রসঙ্গত, এই মেলার স্পনসর হিসেবে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে Hamleys। এক সময়ের বিখ্যাত এই ব্রিটিশ টয় রিটেল সংস্থা বর্তমানে Reliance-এর অধীন। Reliance-এর তরফে জানা গিয়েছে যে এই মেলার সূত্র ধরে মুম্বই, দিল্লি এবং আহমেদাবাদে টয় সার্কল লঞ্চ করা হবে।

তবে টয় ফেয়ারের সূত্রে যাবতীয় উদ্যোগ শুধুই সমাজের ক্রয়ক্ষমতা-সম্পন্ন শ্রেণীর জন্য নয়। জানা গিয়েছে যে এই মেলার হাত ধরে বিপুল পরিমাণে খেলনা তৈরি হয়েছে যা অঙ্গনওয়াড়ি শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: