corona virus btn
corona virus btn
Loading

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে লাখো শ্রমিক, জীবন বদলে দিতে পারে এই ব্যবসা

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে লাখো শ্রমিক, জীবন বদলে দিতে পারে এই ব্যবসা
প্রতীকী ছবি৷

ভারতই বিশ্বের সবথেকে বড় দুধ উৎপাদক দেশ৷ পৃথিবীর মোট উৎপাদিত দুধের ২০ শতাংশই ভারতে উৎপাদিত হয়৷

  • Share this:
 

#ঝাড়খণ্ড: করোনা সঙ্কটের জেরে কাজ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ৷ শহর ছেড়ে ফের গ্রামমুখী কর্মহীন শ্রমিকরা৷ এই পরিস্থিতিতে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অনেকে৷ বাড়ছে বিকল্প কর্মসংস্থানের খোঁজ৷

এই কঠিন সময়ে স্বনির্ভর হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হতে পারে ডেয়ারি ব্যবসা৷

এমনই দাবি করেছেন ঝাড়খণ্ড মিল্ক ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার সুধীর কুমার সিং৷ তাঁর দাবি, গ্রাম হোক বা শহর, সব জায়গাতেই ডেয়ারি ব্যবসা ভাল চলার সম্ভাবনা রয়েছে৷ শুধু নিজে স্বাবলম্বী হওয়া নয়, এই ব্যবসার মাধ্যমে অন্য অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব৷ বর্তমান সময় ডেয়ারি ব্যবসা মানে শুধু গরু- মহিষের দুধ উৎপাদন করা হয়, বরং তার থেকেও বেশি বিস্তৃত৷ কারণ দিন দিন অর্গ্যানিক জিনিসের চাহিদা যেভাবে বাড়ছে, তাতে গোবর সার বিক্রি করেও ভাল মুনাফা করা সম্ভব৷

সুধীর কুমার সিং-এর দাবি, দেশের জিডিপি- তে পশুপালন ব্যবসার ৪ শতাংশ মতো অবদান রয়েছে৷ এই ব্যবসায় গুজরাতের পর কর্ণাটক সবথেকে সফল৷ সুধীর কুমার সিং দাবি করেছেন, লকডাউন পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিকে মজবুত করতে সরকারেরই পশুপালন এবং দুধের ব্যবসার জন্য সমবায় সমিতি

বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া উচিত৷ তাঁর দাবি, শহরে এক একজন শ্রমিক মাসে দশ থেকে পনেরো হাজার টাকা উপার্জন করতেন৷ পশুপালন ব্যবসায় যুক্ত হলে বাড়িতে দু' তিনটি প্রাণী রাখলেই এই অর্থ উপার্জন সম্ভব বলে ওই বিশেষজ্ঞের দাবি৷

দুধ উৎপাদন থেকে শুরু করে শহরে সরবরাহ হওয়া বিভিন্ন ধাপ৷ দুধ উৎপাদন থেকে শুরু করে শহরে সরবরাহ হওয়া পর্যন্ত  বিভিন্ন ধাপ৷

২০১৯ সালে দুধের থেকে দেশে ৭ লক্ষ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আয় হয়েছিল৷ যা দেশে উৎপাদিত খাদ্যশস্যের মোট বিক্রিত মূল্যের থেকেও বেশি৷ এর থেকেই স্পষ্ট ডেয়ারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হলে বিপুল আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে৷ ভারতে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার দুধ উৎপাদন হয়৷ এর মধ্যে ২০ কোটি লিটার দুধের উৎপাদন সঙ্গে যুক্ত পশুপালকরাই কাজে লাগান৷ বাকি ৩০ কোটি লিটার দুধ বাজারে আসে৷

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউনে ডেয়ারি শিল্পের উপর কোনও প্রভাব পড়েনি৷ এত বড় দেশে এই শিল্প নিজে স্বাবলম্বী করা এবং অন্যকে কাজ জোগানোর বড় মাধ্যম হতে পারে৷ কিন্তু তার জন্য সরকারকে পরিকাঠামো তৈরি করে দিয়ে সাহায্য করতে হবে৷

পশুপালন এবং ডেয়ারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে চাইলে কেন্দ্রীয় সরকারের DEDS (Dairy Entrepreneurship Development Scheme)- এর অধীনে ভর্তুকি দেওয়া হয়৷ পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিরও নিজেদের আলাদা আলাদা প্রকল্প রয়েছে৷ এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার নাবার্ডের মাধ্যমেও পশুপালনে সহযোগিতা করে৷ এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের আরও একাধিক প্রকল্প রয়েছে পশুপালনে সহযোগিতা করার জন্য৷

ভারতই বিশ্বের সবথেকে বড় দুধ উৎপাদক দেশ৷ পৃথিবীর মোট উৎপাদিত দুধের ২০ শতাংশই ভারতে উৎপাদিত হয়৷ তবে দেশে যাঁরা দুধ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের অনেকেই সঠিক দাম পান না বলে অভিযোগ৷ এই সমস্যার দিকে সরকারের নজর দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ডেয়ারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা৷ সাধারণত দুধে ফ্যাট এবং এসএনএফ-এর মাত্রা কতটা থাকে, তার উপরই নির্ভর করে দুধের দাম৷

 
Published by: Bangla Editor
First published: May 10, 2020, 5:39 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर