Home /News /business /
ক্রিপ্টোতে বিনিয়োগ করবেন? দেখে নিন ২০২২-এ বাজার কাঁপাবে যে ১০ ডিজিটাল কারেন্সি!

ক্রিপ্টোতে বিনিয়োগ করবেন? দেখে নিন ২০২২-এ বাজার কাঁপাবে যে ১০ ডিজিটাল কারেন্সি!

১০ ডলারেরও কমে মিলবে এমন ক্রিপ্টো কয়েনের হদিশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমশ বাড়ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির চাহিদা। এদিকে বাজেটে শীঘ্রই নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা আনার ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman)। দুয়ে মিলে ক্রিপ্টো নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভারতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে ১০টি ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করলে লাভের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য বেশি খরচ করারও দরকার নেই। ১০ ডলারেরও কমে মিলবে এমন ক্রিপ্টো কয়েনের হদিশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন: বাজারে বাড়ছে জাল নোট! এই ভাবে চেক করে নিন আপনার ৫০০ টাকার নোট আসল না নকল ...

১। লাকি ব্লক: লাকি ব্লক হল একটি ওপেন সোর্স ব্লকচেইন প্রোটোকল। যা ডেভেলপারদের শুধুমাত্র তৈরি করতেই নয়, উচ্চ-পারফর্মিং ব্লকচেইন চালানোর অনুমতি দেয়। সম্প্রতি লাকি ব্লকের প্রি-সেল লঞ্চ হয়েছে। মাত্র কয়েকদিনেই বিক্রি হয়েছে ৩২.৫ শতাংশ। প্যানকেকসোয়াপের মাধ্যমে লাকি ব্লক কিনতে পাওয়া যায়। এর প্রাথমিক মূল্য ০.০০২১ ডলার। অর্থাৎ অল্প পুঁজি নিয়েই এই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ইনভেস্ট করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

২। ডজকয়েন: ২০১৩ সালে বাজারে আনা হয়েছিল এই কয়েন। বর্তমানে এটাই দশম সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিপ্টোকারেন্সি। ডজকয়েন নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন টেসলা এবং স্পেস এক্স সিইও এলন মাস্ক (Elon Musk)। আড়ালে তাঁকে ডজকয়েনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডারো বলেন অনেকে। গত বছরের প্রথম পাঁচ মাসে এটি ১৪০০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রাথমিক মূল্য ০.২০ ডলার।

৩। এক্সআরপি: অন্যতম সস্তা ক্রিপ্টোকারেন্সি, কিন্তু মার্কেট বিশাল। বিনিয়োগকারীদের কাছেও অত্যন্ত জনপ্রিয়। ১ ডলারেরো কমে এক্সআরপি কেনা যায়। রিপল-এর মারফত লেনদেনে মাত্র৪-৫ সেকেন্ড সময় নেয়।

আরও পড়ুন: ব্যাঙ্কে এফডি করছেন? দেখে নিন ট্যাক্স ছাড় পাবেন কীভাবে, মিলবে কী কী সুবিধা!

৪। শিবা ইনু: জাপানি শিকারি কুকুরের একটি প্রজাতির নামে এই ক্রিপ্টো টোকেন।ক্রিপ্টো জগতে অপেক্ষাকৃত নতুন। ২০২০ সালের অগাস্টে এটি পাবলিক এক্সচেঞ্জে প্রথম তালিকাতুক্ত হয়। তবে বৃদ্ধির হারে বিটকয়েনের পরই আসে শিবা ইনুর নাম। বর্তমানে শীর্ষ ২০ ক্রিপ্টোর মধ্যে এটা অন্যতম। বাজার মূল্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

৫৷ কার্ডানো: কিছুদিন আগে ক্রিপ্টোর জগতে সারা ফেলে দিয়েছিল কার্ডানো। দামের বিচারে এই ক্রিপ্টো বিটকয়েন- কেও ছাপিয়ে যায়৷ এছাড়াও এই ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রসিদ্ধ কম এনার্জি লেভেল ব্যবহারের জন্য। ভবিষ্যতে এই ক্রিপ্টোকারেন্সির মূল্য যে আরও বাড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬। ট্রন: এ বছরে যে ক্রিপ্টোতে নজর রাখতেই হবে সেটা হল ট্রন। ২০১৮ সালে এই কয়েনকে বাজারে আনেন জাস্টিন সান। বিশেষজ্ঞরা ট্রনকে ইথেরিয়ামের থেকেও এগিয়ে রাখছেন। বর্তমানে ০.১০ ডলারে এই কয়েন কেনা যায়।

৭। ডিসেনট্রাল্যান্ড: এটা থ্রি ডি গেমিং ওয়ার্ল্ড অফার করে। ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়ালি জমি কিনতে এবং পরবর্তীতে রিয়েল এস্টেট তৈরি করতে দেয়। এই ভার্চুয়াল রিয়েল এস্টেট পরবর্তীকালে প্রোজেক্টের নেটিভ ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘মানা’র বিনিময়ে খোলা বাজারে বিক্রি করা যেতে পারে। ডিসেনট্রাল্যান্ডের কিছু ভার্চুয়াল আইটেমে বর্তমানে ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি হয়েছে। ফলে এটা পরিস্কার চলতি বছরে কেনার জন্য ‘মানা’ সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিপ্টোর একটি।

আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক ডিপোজিটের থেকে রেকারিং ডিপোজিট লাভজনক কেন? জেনে নিন...

৮। সুশিসোয়াপ: চলতি বছরে কেনার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিপ্টো সুশিসোয়াপ। তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই ডিজিটাল টোকেন কেনা এবং বিক্রি করা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে কেনার জন্য সেরা অল্ট কয়েনগুলির একটি সুশি সোয়াপ। এটা আগামীদিনে অনেক ভেলকি দেখাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

৯। স্টেলার: ২০২২ সালে যে সকল ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার কাঁপাতে পারে তাদের মধ্যে স্টেলার অন্যতম। এই ক্রিপ্টোকে সেরা ১০-এ রাখার কারণ শুধু এর লোয়ার কস্ট এক্সচেঞ্জ নয়, পাশাপাশি শেষ দু মাসে এর তুমুল বৃদ্ধি। এই দুই কারণেই এই ক্রিপ্টোকে এগিয়ে রাখছেন বিশেষজ্ঞরা৷

১০। দ্য গ্রাফ: ‘ব্লক চেইন ইনডেক্সিং’ নামেও বাজারে এর পরিচিতি আছে।এর নেটিভ ডিজিটাল মুদ্রা হল জিআরটি টোকেন। এর একটি টোকেনের দাম ০.৫০ ডলারেরও কম। চলতি বছর ‘দ্য গ্রাফ’ বাজার কাঁপাতে পারে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Cryptocurrency, Investment

পরবর্তী খবর