Home /News /business /
Business Idea: দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে চাহিদা, এই ব্যবসা করে তাই রয়েছে ধনী হওয়ার দারুণ সুযোগ

Business Idea: দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে চাহিদা, এই ব্যবসা করে তাই রয়েছে ধনী হওয়ার দারুণ সুযোগ

Business Ideas: টিস্যু পেপার বা ন্যাপকিন পেপারের চাহিদা এবং ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে এর বিক্রির বাজারও

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: চাকরি ছেড়ে অনেকেই আজকাল ঝুঁকছেন ব্যবসার দিকে। আর তাই সফল ভাবে ব্যবসা করার পন্থা খোঁজেন তাঁরা। আজ এমনই এক ব্যবসার হদিশ দেব আমরা। যেখানে রয়েছে দারুণ আয়ের সুযোগ। আসলে আমরা আজ টিস্যু পেপার (Tissue Paper) অর্থাৎ ন্যাপকিন পেপার তৈরির ব্যবসা (Napkin Paper Manufacturing) নিয়ে আলোচনা করব আজ।

টিস্যু পেপার বা ন্যাপকিন পেপারের চাহিদা এবং ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে এর বিক্রির বাজারও। আর শুধু ব্র্যান্ডেডই নয়, স্থানীয় ভাবে তৈরি ন্যাপকিন পেপারের (Napkin Paper) চাহিদাও এখন তুঙ্গে। তাই এই ব্যবসা করে প্রতি মাসে মোটা টাকা উপার্জন করার দারুণ সুযোগ রয়েছে।

আসলে আমাদের দেশে এখন ন্যাপকিন পেপার বা টিস্যু পেপার ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ধাবা, বাড়ি, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল– সব জায়গাতেই আজকাল টিস্যু পেপার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে ন্যাপকিন পেপার বা টিস্যু পেপার তৈরি করার প্ল্যান্ট (Napkin Paper Manufacturing Plant) স্থাপন করলে তা লাভজনক হবে। এর জন্য অবশ্য দূর-দূরান্তে ঘুরে দোকানে-দোকানে সরবরাহ বা বিক্রি করারও প্রয়োজন হবে না। বরং তার পরিবর্তে কাছে-পিঠেই টিস্যু পেপার সরবরাহ বা বিক্রি করে সহজে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যেতে পারে। তাই জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এর প্ল্যান্ট স্থাপন করা যায় এবং সেই প্ল্যান্ট শুরু করার জন্য কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

আরও পড়ুন - সাবধান! বন্ধ হয়ে যেতে পারে আপনার Netflix অ্যাকাউন্ট! কেন জানুন

মেশিনের প্রয়োজন হবে:

সাধারণত ন্যাপকিন পেপার বা টিস্যু পেপার তৈরির মেশিন পাওয়া যায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকায়। তবে এর থেকে বেশি দামেও এই মেশিন পাওয়া যায়। একটি সেমি-অটোমেটিক মেশিনের দাম হতে পারে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এই ধরনের মেশিনের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৪ থেকে ৫ ইঞ্চির ১০০ থেকে ৫০০ পিস ন্যাপকিন পেপার তৈরি করা সম্ভব। আর ব্যবসাটি বড় আকারে শুরু করতে চাইলে উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় মেশিন কেনা উচিত। যার দাম ১০ থেকে ১১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই মেশিনের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ২৫০০ ন্যাপকিন পেপার রোল তৈরি করা সম্ভব।

আরও পড়ুন - ভুলেও এই মেসেজে ক্লিক করবেন না! অনলাইন শপিংয়েও সাবধান! খালি হয়ে যাবে ব্যাঙ্কের সব টাকা!

মুদ্রা যোজনা থেকে ঋণ নেওয়া যেতে পারে:

কেউ যদি এই ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে এর জন্য ঋণও পেতে পারেন তিনি। এক্ষেত্রে ৩.৫ লক্ষ টাকা জমা করলে সরকারি মুদ্রা যোজনা (Mudra Scheme)-র অধীনে ঋণ পাওয়া যাবে। মুদ্রা যোজনার অধীনে ঋণের জন্য আবেদন করলে ৩.১০ লক্ষ টাকার মেয়াদী ঋণ এবং ৫.৩০ লক্ষ টাকার কার্যকরী মূলধন ঋণ পাওয়া যেতে পারে।

এই ব্যবসায় কত টাকা আয় হবে?

টিস্যু পেপার বা ন্যাপকিন পেপারের একটি ছোট প্ল্যান্ট স্থাপন করলে সেখান থেকে ১ বছরে সহজেই ১.৫ লক্ষ কেজি ন্যাপকিন পেপার প্রস্তুত করা যায়। আর বাজারে ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে সেই ন্যাপকিন পেপার বিক্রিও করা যায়। এমনকী মেশিনের খরচ, কাঁচামাল, ঋণের কিস্তি, মজুরি ইত্যাদি বাবাদ হওয়া খরচ বাদ দেওয়ার পরেও সহজেই প্রথম বছরে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

Tags: Business ideas, Investment

পরবর্তী খবর