বাজেট ২০২১: অর্থনীতির উন্নয়নে প্রয়োজন K-শেপড রিকভারি, বলছেন বিশেষজ্ঞরা!

বাজেট ২০২১: অর্থনীতির উন্নয়নে প্রয়োজন K-শেপড রিকভারি, বলছেন বিশেষজ্ঞরা!
এই বিষয়ে অর্থনীতিবিদ সাজিদ চিনয় (Sajjid Chinoy) জানিয়েছেন, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে অনেকটাই বাড়তে পারে ব্যয়ের পরিমাণ।

এই বিষয়ে অর্থনীতিবিদ সাজিদ চিনয় (Sajjid Chinoy) জানিয়েছেন, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে অনেকটাই বাড়তে পারে ব্যয়ের পরিমাণ।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। এখন সেদিকেই তাকিয়ে সবাই। নানা খাতে অর্থবরাদ্দ নিয়েও মতামত জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সূত্রে ধরে তাঁদের বক্তব্য, আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটে ব্যয়ের খাতে বাড়াতে হবে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ। একইসঙ্গে ফিসকাল ডেফিসিটের কথাটিও মাথায় রাখতে হবে। তবেই সম্ভব হবে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার।

এই বিষয়ে অর্থনীতিবিদ সাজিদ চিনয় (Sajjid Chinoy) জানিয়েছেন, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে অনেকটাই বাড়তে পারে ব্যয়ের পরিমাণ। এ ক্ষেত্রে আনুমানিক ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে বরাদ্দের পরিমাণ। সরকারের পরিকল্পনা মতো যদি স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা ও পরিকাঠামোগত খাতে ব্যয়ের বরাদ্দ বাড়ে, তাহলে ফিস্কাল কনসোলিডেশনের পথে হাঁটতে হবে।

এখানে K-শেপড রিকভারির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। এ বিষয়ে Nomura-এর মুখ্য অর্থনীতিবিদ সোনাল বর্মা (Sonal Varma) জানিয়েছেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ফিস্কাল সাপোর্ট অত্যন্ত জরুরি। কারণ MSME থেকে শুরু করে পর্যটন, অসংরক্ষিত ক্ষেত্র এখনও নড়বড়ে পরিস্থিতিতে রয়েছে। এই সেক্টরগুলির ক্ষেত্রে ফিস্কাল সাপোর্ট অত্যন্ত জরুরি। আর এই সমস্যার সমাধানে গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রকল্প নিতে হবে।


এই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, ন্যাশনাল হেলথ মিশন-সহ একাধিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেছেন ১৪তম অর্থ কমিশনের সদস্য সুদীপ্ত মুন্ডলে (Sudipto Mundle)। তাঁর কথায় এই পরিস্থিতির সমাধানে দু'টি আঙ্গিকে পদক্ষেপ করতে হবে সরকারকে। একটি হল ইনকাম সাপোর্ট ও আর অন্যটি হল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্পেন্ডিং।

আসন্ন বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কিছু প্রকল্পের পরিবর্তন হতে পারে। প্রকল্পের নিয়মে পরিবর্তন আসতে পারে অথবা কিছু প্রকল্প বাতিলও হতে পারে। যে প্রকল্প থেকে তেমন সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বা প্রকল্পটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না, সেই প্রকল্প বাতিল করা হতে পারে। এক সরকারি আধিকারিক এই বিষয়ে জানান, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

বর্তমানে ফিসক্যাল পরিস্থিতিতে খরচের মোট বাজেট ছিল ৩০.৪২ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সেই খরচ বাড়তে পারে। ফলে বিষয়টি মাথায় রেখে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। যেখানে GDP-র ৩.৫ শতাংশ মোটে ছিল ফিসক্যাল ডেফিসিট, সেখানে সেটাই ৬.৫ -৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর ব্যয়ের বরাদ্দও বেড়ে ৩৫ লক্ষ কোটি হতে পারে।

তবে সরকার কী করে, আপাতত তা জানার জন্য অপেক্ষা করতে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত!

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: