• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • বাজেট ২০২১: ব্য়য়ের খাতে বাড়তে পারে বরাদ্দের পরিমাণ!

বাজেট ২০২১: ব্য়য়ের খাতে বাড়তে পারে বরাদ্দের পরিমাণ!

অর্থ সরবরাহ, পরিকাঠামো, কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান, রপ্তানি, বৈদেশিক বিনিময়-সহ একাধিক বিষয়ে দেশের কী পরিস্থিতি এবং তা বাজেটে কতটা প্রভাব ফেলছে, সেই সব তুলে ধরা হবে সকলের সামনে। আসন্ন বাজেটে অবশ্যই করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অর্থ সরবরাহ, পরিকাঠামো, কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান, রপ্তানি, বৈদেশিক বিনিময়-সহ একাধিক বিষয়ে দেশের কী পরিস্থিতি এবং তা বাজেটে কতটা প্রভাব ফেলছে, সেই সব তুলে ধরা হবে সকলের সামনে। আসন্ন বাজেটে অবশ্যই করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন বাজেট কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সাজানো হতে পারে এবং সঙ্গেই একাধিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: আগামীকাল পার্লামেন্টে শুরু হচ্ছে ২০২১-এর বাজেট অধিবেশন। আর কয়েকদিন পরই ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট পেশের আগে বাজেট নিয়ে একাধিক আলোচনা, জল্পনা চলছে বিভিন্ন মহলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন বাজেট কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সাজানো হতে পারে এবং সঙ্গেই একাধিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে।

তাঁদের মতে, আগামী অর্থবর্ষে মোট ব্যয় অনেকটাই বাড়াতে পারে সরকার। এই ক্ষেত্রে অনুমান করা হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে ব্যয় বরাদ্দের পরিমাণ। আশা করা যাচ্ছে, এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি স্বাস্থ্য়, প্রতিরক্ষা ও পরিকাঠামোগত খাতে বাড়তে পারে।

এর পাশাপাশি ফিসক্যাল কনসলিডেশন-এর বিষয়টিও নমনীয় ও প্রসারিত হতে পারে।

আসন্ন বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কিছু প্রকল্পের পরিবর্তন হতে পারে। প্রকল্পের নিয়মে পরিবর্তন আসতে পারে অথবা কিছু প্রকল্প বাতিলও হতে পারে। যে প্রকল্প থেকে তেমন সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বা প্রকল্পটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না, সেই প্রকল্প বাতিল করা হতে পারে। এক সরকারি আধিকারিক এই বিষয়ে জানান, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

বর্তমানে ফিসক্যাল পরিস্থিতিতে খরচের মোট বাজেট ছিল ৩০.৪২ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সেই খরচ বাড়তে পারে। ফলে বিষয়টি মাথায় রেখে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। যেখানে GDP-র ৩.৫ শতাংশ মোটে ছিল ফিসক্যাল ডেফিসিট, সেখানে সেটাই ৬.৫ -৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর ব্যয়ের বরাদ্দও বেড়ে ৩৫ লক্ষ কোটি হতে পারে।

মানুষের হাতে আরও বেশি অর্থ প্রদান

সম্প্রতি দ্য ইন্টারন্যাশনাল মানিটরি ফান্ডের তরফে একটি নথি প্রকাশ করা হয়। যাতে, তাদের তরফে জানানো হয়, ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতির ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২০২১-এ ৮ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ২০২২-এ তা বেড়ে হতে পারে ১১.৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে একাধিক বিষয় শিথিল করার কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে আরেক অর্থনীতিবিদ বলেন, যদি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা দিতে হবে। কারণ তবেই বাড়বে চাহিদা এবং চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির লাভ।

গ্রামে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য তৈরি প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (the Pradhan Mantri Awas Yojana) বা PMAY, ন্যাশনাল হেলথ মিশন (the National Health Mission), ট্যাপ ওয়াটারের জন্য তৈরি প্রকল্প, এই সবক'টির খাতেই পরিবর্তন করা হতে পারে। এছাড়াও প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত প্রকল্পগুলিতেও বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানোর আশা রয়েছে।

এদিকে, Nomura আবার আশা করছে, অর্থবর্ষ ২০২২-এ ৩০.৪২ লক্ষ কোটির টাকার উপরে ৯.৫ শতাংশ ব্যয় বাড়তে পারে।

Published by:Simli Raha
First published: