• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • BUDGET 2021 TAX PAYERS HOPE THAT THERE IS NO NEW COVID CESS INTRODUCED AS TAX PBD

বাজেট ২০২১: আসন্ন বাজেটে সেস-এর মতো অতিরিক্ত কর চাপানোর সম্ভাবনা কত দূর?

বিশেষজ্ঞর নিমিশের কথায়, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বিশ্বে পাঁচ নম্বরে ভারত থাকলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ফলে রপ্তানির ট্রেড পলিসিতেও জোর দেওয়া হতে পারে এই বাজেটে।

বিশেষজ্ঞর নিমিশের কথায়, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বিশ্বে পাঁচ নম্বরে ভারত থাকলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ফলে রপ্তানির ট্রেড পলিসিতেও জোর দেওয়া হতে পারে এই বাজেটে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-২২ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। করোনার জেরে বেড়েছে সরকারের খরচ। সেই অতিরিক্ত খরচ তুলতে আসন্ন বাজেটে এবার কোভিড-১৯ সেস বসানো নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। জানা যাচ্ছে, এই বিষয়ে আলোচনা চলছে অর্থমন্ত্রকে। ইতিমধ্যে এই নিয়ে বৈঠকও হয়ে গিয়েছে একবার। তবে, এই বর্ধিত কর সেস হিসেবেই নেওয়া হবে কি না সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু কর দেওয়া মানুষজন চাইছেন এমন কোনও অতিরিক্ত কর না চাপানো হোক। দেখে নেওয়া যাক এই বিষয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞ নিমিশ শাহ!

নিমিশ শাহ জানাচ্ছেন, আসন্ন বাজেটে গ্রোথ ও ফিসক্যাল ডিসিপ্লিন সব চেয়ে বেশি চর্চায় থাকবে। কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী, গ্রোথ সেই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। তবে, তাঁর মতে, বাজেট ২০২১-এ এই দুইয়ের একটা সমতা দেখতে পাওয়া যাবে। তবে, চলতি অর্থবর্ষে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে লিকুইডিটি সাপোর্ট দেওয়ার ফলে ফিসক্যাল স্লিপেজ অর্থাৎ যতটা খরচ হবে ভাবা হয়েছিল তাতে পরিবর্তন আসায় ফিসক্যাল ডেফিসিট কমে হতে পারে ৭.৫ শতাংশ। তবে, এটাই এখন দেখার যে এমন ভাবে বাজেট তৈরি করতে হবে যাতে ফিসক্যাল ডেফিসিট ২০২১ অর্থবর্ষে বাড়তে পারে। তাঁর মতে, এক্ষেত্রে অন্তত ৩.৫ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য রাখতে হবে।

নিমিশ শাহ-র বলছেন, কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে ২০২১ অর্থবর্ষে ডেফিসিট অন্তত পক্ষে ১২ শতাংশ হওয়া উচিৎ। এদিকে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে করোনার জেরে কম কর আদায়, কম GST হওয়ায় করের পরিমাণও ১৪ ও ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।

বিশেষজ্ঞর কথায়, আসন্ন বাজেটে কিছু বড় সংস্কারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে, যদি কোনও বড় সংস্থার আসে, বাজারে তার প্রভাব শুধুমাত্র মানসিক ভাবেই পড়বে কারণ অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা বুঝতে সংস্কারটির বা সংস্কারগুলির কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় উন্নতি, আরও ভাল স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া, স্বাস্থ্য বিমা, MSME-তে ক্রেডিট ফ্লো বাড়ানো ও গ্রোথ বাড়ানো, ভ্রমণ, অন্যান্য পরিষেবা, ঘর-বাড়ি বিশেষ করে হাউজিং ইত্যাদির দিকে জোর দেওয়া হতে পারে। রাস্তাঘাট, বন্দর ও রেলপথের মতো ক্ষেত্রে ব্যয় বৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণে সহায়তা হতে পারে এবং আশা করা যায়, এই জাতীয় ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পদক্ষেপও করা হতে পারে। প্রতি বছরের মতো এবারও ইক্যুইটির উপর LTCG ট্যাক্স এবং লভ্যাংশ আয়ের উপরs ট্যাক্স অপসারণ করা হবে, এমনটা আশা করা যায়। এবং এর পাশাপাশি অনেকেই বাজেটের দিকে তাকিয়ে আছেন এবং আশা করছেন, যে সেস বসানোর কথা চলছে, সেই সেস বা তেমন কোনও অতিরিক্ত কর চালু করা হবে না।

তবে, এই বিশেষজ্ঞর মতে, এই বাজেটে সেস বসানোর আশঙ্কা প্রবল রয়েছে। তা কার্যকর হতে পারে বেশি আয়ের মানুষজনের উপরে।

চলতি বছর ক্ষতির কথা মাথায় রেখে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে দ্রুত অর্থ উপার্জনের জন্য সরকার ভাল মানের PSU-গুলিতে শেয়ার বিক্রি করতে পারে। বিবাদ সে বিশ্বাস প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তবে, লাভের দিক থেকে তেমন কিছু আশা করা যাচ্ছে না কারণ প্রায় ৫ লক্ষ কোটি টাকার কর মামলা-মোকদ্দমায় আটকে রয়েছে। রাজস্ব বৃদ্ধিতে এবং সেই প্রবণতা বাড়াতে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হতে পারে। ব্যাঙ্কে NPA বাড়ানোর দিকেও নজর দেবে সরকার।

বিশেষজ্ঞর নিমিশের কথায়, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বিশ্বে পাঁচ নম্বরে ভারত থাকলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ফলে রপ্তানির ট্রেড পলিসিতেও জোর দেওয়া হতে পারে এই বাজেটে। ব্যবসার ক্ষেত্রে পরিবেশের উপর যাতে কোনও প্রভাব না পরে তার জন্য ইন্ডাস্ট্রিগুলিকে কিছুটা ছাড়ও দেওয়া হতে পারে।

এখানেই শেষ নয়, নিমিশ শাহ-র বলছেন, যেহেতু কৃষিক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে সরকার, তাই জমি ও শ্রমিকদের বেশ কিছুটা অংশ পিছিয়ে যেতে পারে। এবং এই ক্ষেত্রটির বাজেটে কোন জায়গা পায় সেটাও দেখার।

মতামত মুখ্য বিনিয়োগকারী আধিকারিক (Listed Investments, Waterfield Advisors) নিমিশ শাহ-র ব্যক্তিগত।

Published by:Pooja Basu
First published: