• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • স্বাধীনতার পর প্রথম, কাগজ ছাড়াই ডিজিটাল বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন

স্বাধীনতার পর প্রথম, কাগজ ছাড়াই ডিজিটাল বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন

ট্যাব হাতে বাজেট পড়তে ঢুকছেন নির্মলা সীতারামন। সঙ্গে অনুরাগ ঠাকুর।

ট্যাব হাতে বাজেট পড়তে ঢুকছেন নির্মলা সীতারামন। সঙ্গে অনুরাগ ঠাকুর।

নির্মলা সীতারামন ২০২১ সাধারণ বাজেট পেশ করতে ঢুকবেন ট্যাব হাতে। একটিও কাগজ থাকবে না তাঁর হাতে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: চিরাচরিত নিয়ম টা ভেঙে ছিলেন তিনি চামড়ার ব্রিফকেসের বদলে বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এর হাতে দেখা গিয়েছিল লাল কাপড়ে মোড়া বই-খাতা কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ব্রিফকেস নয় অনেক বেশি জড়িয়ে রয়েছে বইখাতা এবারেও প্রথা ভাঙতে দেখা যাবে তাঁকে।  নির্মলা সীতারামন ২০২১ সাধারণ বাজেট পেশ করতে ঢুকবেন ট্যাব হাতে। একটিও কাগজ থাকবে না তাঁর হাতে।

    ২০১৯  সালের অন্তর্বর্তী বাজেট নির্মলার ভাষণ ছিল দু ঘণ্টা ১৭ মিনিটের। ২০২০ সালে নিজেই নিজেকে ছাপিয়ে যান নির্মলা, ভাষণ দেন প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এবছর প্রেক্ষিত ভিন্ন। করোনার কারণে মানুষের রুজিরুটিতে টান পড়েছে। কর্মসংস্থানে জোয়ার আনতে হবে, স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বরাদ্দ করতে হবে। বৈষম্য মেটাতে বিদেশি লগ্নির পাশাপাশি আত্মনির্ভরতার বীজ বপন করতে হবে, কাজেই নির্মলা কি ভাষণে নিজেই নিজেকে ছাপিয়ে যাবেন জল্পনা তাই নিয়েই।

     এদিকে বাজেট অধিবেশনের প্রাকমুহুর্তে এসেছে সুখবর একদিকে যেমন সেনসেক্স ঊর্ধ্বমুখী তেমনই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে অর্থনীতি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই জানুয়ারি মাসে কেন্দ্র জিএসটি সংগ্রহ করেছে ১.১৯ লক্ষ কোটি টাকার, যা সর্বকালীন রেকর্ড।

    কিন্তু কাঁটাও আছে। বিস্তর চ্য়ালেঞ্জ নিতে হবে এবার নির্মলাকে। ঠাণ্ডা মাথার জেএইইউ-এর প্রাক্তনী, নির্মলা সীতারামন  কোন দাওয়াইয়ে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরান তা দেখতে মুখিয়ে দেশ।

    নির্মলার প্রথম চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ানো। করোনা মহামারীর চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে গণস্বাস্থ্যের অবস্থাটা ঠিক কেমন। সাধারণ মানুষের হাতে বিরাট কোনও মারণ ব্যধির চিকিৎসার বিপুল ব্যয়ভাপর বহন করার অর্থ নেই। এই অবস্থায় সরকার যদি চিকিৎসা খাতে ব্যয় বরাদ্দ না বাড়ায় তাহলে আগামী দিনে এই ধরনের বিপদ মোকাবিলা মুশকিল হবে।  মনে রাখতে হবে, বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ৬৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, তার অনেকটাই খরচ হয়েছে করোনা টিকাকরণে। এবছরও করোনা টিকাকরণের জন্য একটা আলাদা বরাদ্দ ভাবতে হবে।  উদ্বৃত্ত অংশটার মধ্যে একটি বড় অংশই রেখে দিতে হবে আবার বড় কোনও বিপদ এলে যাতে ধার না করেই মোকাবিলা করা যায় তার জন্য।

    গত এক বছরে সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে শিক্ষা। কোভিড অতিমারীর কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। সাধারণ ছাত্রছাত্রী বিরাট বেকায়দায় পড়েছে এই ধস্ত সময়ে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সত্যিই কোনো বৈপ্লবিক সংস্কার না করলে ছাত্র-ছাত্রীদের মূলস্রোতে ধরে রাখা মুশকিল বিশেষত শিক্ষাকে করতে হবে কর্মমুখী, ফলে হাত ধরে আসছে কর্মসংস্থান বাবদ লগ্নির প্রশ্ন। দেশ জানতে চায় নির্মলার হাত ধরে প্রকৃতপক্ষেই আত্মনির্ভর হয়ে ওঠা সম্ভব কিনা।

    Published by:Arka Deb
    First published: