• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • Budget 2021: শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন আত্মনির্ভর হতে সাহায্য করবে ভারতকে, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

Budget 2021: শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন আত্মনির্ভর হতে সাহায্য করবে ভারতকে, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রের প্রত্যাশাও অনেক

২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রের প্রত্যাশাও অনেক

২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রের প্রত্যাশাও অনেক

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ইতিমধ্যেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন ও পরিবর্ধন আনার পক্ষে সওয়াল করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সূত্র ধরে ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রের প্রত্যাশাও অনেক। এক্ষেত্রে শিক্ষা খাতে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের অনুমোদন নিয়েও সরব হয়েছেন অনেকে। অনেকে হাঁটছেন ডিজিটাল সিস্টেম আনার পথে। কী বলছেন বিশেষজ্ঞ, আসুন জেনে নেওয়া যাক!

এ নিয়ে বিশদে আলোচনা করেছেন Pearson India-এর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট রামানন্দ এস জি (Ramananda SG)। তাঁর কথায়, ডিজিটাল সিস্টেম আনার মধ্য দিয়ে ভারতের শিক্ষা ক্ষেত্রকে বিশ্বমানের করে তোলা সম্ভব হবে। এর জেরে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা FDI-কে আকর্ষণ করা যাবে। ফলে সমগ্র বিশ্বের কাছে শিক্ষার জন্য এক আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে ভারত।

তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই ক্ষেত্রটিতে কাঙ্ক্ষিত সচেতনতা দেখা যায়নি। শিক্ষা ক্ষেত্রের জন্য যে পদক্ষেপ হয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু প্যানডেমিকের সময় অনলাইন লার্নিং ও ডিজিটালাইজেশনের একটা বড় সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। তাই আসন্ন বাজেট থেকে প্রত্যাশাও অনেক। কিন্তু বর্তামানে শিক্ষাখাতে খরচের পরিমাণ GDP-র ৪.৬ শতাংশ। যা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। এক্ষেত্রে ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কোঠারি কমিশনের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেইসময় কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মোট GDP-র ২.৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬ শতাংশ করতে হবে শিক্ষা খাতে খরচ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি দেশ। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে GDP-র মাত্র ৩ শতাংশ খরচ হয়েছিল। আর এই ঘাটতি মেটাতেই ভূমিকা নিতে হবে আসন্ন বাজেট। এক্ষেত্রে ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসিও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়।

বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর দিয়েছেন তিনি। এগুলি হল-

শিক্ষা ক্ষেত্রকে আরও দৃঢ় করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (public-private partnership) মডেল লাগু করার লক্ষ্যে এগোতে হবে। ট্যাক্স ফ্রেন্ডলি পলিসি আনতে হবে।

আইডিয়াল কস্ট রেশিও (ideal cost ratio), শিক্ষকদের বেতন, ডিজিটাল পরিকাঠামো, শিক্ষাক্ষেত্রের প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে। ডিজিটাল ইনফ্রাস্টাকচারকে মজবুত করার লক্ষ্যে একাধিক খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে শিক্ষায় বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা FDI-কে স্বাগত জানানো উচিৎ। এর জেরে EdTech ও Academia-সহ বেশ কয়েকটি সংস্থা ও নানা আন্তার্জাতিক ক্ষেত্রের সঙ্গে দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রকে সংযুক্ত করা যাবে।

শিক্ষক প্রশিক্ষণ, এক্সপিরিয়েন্সিয়াল লার্নিং-সহ নানা ক্ষেত্র আরও মজবুত হবে। বিভিন্ন ধরনের ICT প্রোজেক্ট অর্থাৎ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি খাতে খরচের বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি KPMG-এর একটি রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর খানেকের মধ্যে দেশে অনলাইন এডুকেশন মার্কেট ১.৯৬ বিলিয়ন ডলারের কাছে পৌঁছে যাবে। তবে জোর দিতে হবে লো কস্ট ইন্টারনেট ও হার্ডওয়্যার সেক্টরের উপর। একইসঙ্গে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজির উপরও জোর দিতে হবে। বিভিন্ন এড-টেক ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে হবে সরকারকে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রেই অনলাইনএডুকেশনের GST রেটকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আপাতত সমস্ত আশা নিয়ে বাজেটের দিকে তাকিয়ে দেশবাসী।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: