• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • কী ভাবে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে তোলা যায় সঞ্চয়? সদ্য চাকরিতে ঢুকলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিৎ!

কী ভাবে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে তোলা যায় সঞ্চয়? সদ্য চাকরিতে ঢুকলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিৎ!

কী ভাবে সঞ্চয়ের পাল্লা ভারি করা যায়, তার জন্য এই বিষয়গুলোয় নজর দেওয়া যেতে পারে!

কী ভাবে সঞ্চয়ের পাল্লা ভারি করা যায়, তার জন্য এই বিষয়গুলোয় নজর দেওয়া যেতে পারে!

কী ভাবে সঞ্চয়ের পাল্লা ভারি করা যায়, তার জন্য এই বিষয়গুলোয় নজর দেওয়া যেতে পারে!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সঞ্চয়ের যে বিকল্প নেই, সে তো বহু পুরনো এবং খুবই খাঁটি কথা! কিন্তু একেবারে নতুন প্রজন্ম যাঁরা, যাঁরা সবে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের পক্ষে বিষয়টি বুঝে ওঠা একটু হলেও সমস্যার হতে পারে।

আসলে সদ্য চাকরিতে ঢোকার সময়টায় অনেকেরই জীবন নির্ভার থাকে। এই সময়টায় সাংসারিক দায়িত্ব অনেকেরই কাঁধে থাকে না। তার উপরে নতুন প্রজন্মের সদস্যদের অনেকেরই হাতে থাকে ক্রেডিট কার্ড, শখ থাকে নানা গ্যাজেটের। সব মিলিয়ে মাঝে মাঝেই খরচের দিকে পাল্লাটা ঝুঁকে পড়ে।

সেই সব শখ মিটিয়েও কী ভাবে সঞ্চয়ের পাল্লা ভারি করা যায়, তার জন্য এই বিষয়গুলোয় নজর দেওয়া যেতে পারে!

১. মাসের খরচের মেয়াদ ঠিক করা মাসে কত খরচ করা হবে, তার একটা সীমা ঠিক করে নেওয়া উচিৎ। সেই সঙ্গে ঠিক করা উচিৎ- কতটা টাকা সরিয়ে রাখা হবে সঞ্চয়ের জন্য। এই অভ্যেস একবার রক্তে ঢুকে গেলে আপৎকালীন সঞ্চয় খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে।

২. অপ্রয়োজনীয় জিনিসের পিছনে খরচ কম করা শখ মেটাতে গিয়ে নতুন প্রজন্মের অনেকেই ঘন ঘন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে হাতে আর সঞ্চয় বলে কিছু থাকে না। তাই যতটা সম্ভব অপ্রয়োজনীয় জিনিস কম কেনাই উচিৎ হবে।

৩. কর ব্যবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা চাকরিজীবনের শুরুতে বেতনের দিক থেকে অনেকেই আয়করের আওতায় পড়েন না। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ভালো ভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন। তাতে ভবিষ্যতে কতটা কর দিতে হতে পারে বেতন পিছু, সেই অঙ্ক ঠিক রেখে সঞ্চয়ের দিকটা সামলানো যায়।

৪. জীবনবিমা জীবনবিমা করালে মাসে মাসে প্রিমিয়ামের পিছনে একটা খরচ হয় বইকি! কিন্তু তা প্রয়োজনকালের মোট খরচের তুলনায় খুবই কম। তাই ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে অন্তত স্বাস্থ্যবিমার দিকে নজর দেওয়াই উচিৎ।

৫. ফিক্সড ডিপোজিট বা রেকারিং ডিপোজিট আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যাতে চট করে টাকা তোলা যায়, সেই লক্ষ্যে ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট বা রেকারিং ডিপোজিট রাখা উচিৎ। তাতে সঞ্চয়ও হবে আর সুদের হার থেকে জমা অঙ্কও বাড়তে থাকবে।

৬. বিনিয়োগ সঞ্চয়ের অঙ্ক বাড়াতে নানা বিনিয়োগের দিকে যাওয়া যেতে পারে। যেমন স্টক মার্কেট। তবে এ ক্ষেত্রেও পুরো বিষয়টি না বুঝে পদক্ষেপ করা ঠিক হবে না।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: