?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিমানে চড়েই উপভোগ করুন দেশের দর্শনীয় স্থান, ‘জয় রাইড’ চালু করছে এয়ার ইন্ডিয়া

বিমানে চড়েই উপভোগ করুন দেশের দর্শনীয় স্থান, ‘জয় রাইড’ চালু করছে এয়ার ইন্ডিয়া
File Photo

অস্ট্রেলিয়ার Qantas ও রয়্যাল ব্রুনেই এয়ারলাইন্সের মতোই এই নতুন পরিষেবার পরিকল্পনা করেছে এয়ার ইন্ডিয়া।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সুখবর। এ বার 'ফ্লাইটস টু নো-হোয়্যার' পরিষেবা চালু করতে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া।

এয়ার ইন্ডিয়ার এই উদ্যোগটাকে একটু হলেও ব্যাখ্যা না করলেই নয়। “flights to nowhere” মানে এক শহর থেকে উড়ে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখার পর ফের যে শহর থেকে উড়েছিল বিমান, সেখানেই আবার ফিরে আসা ৷ এই আকাশপথে ভ্রমণ মূলত একটি ‘জয় রাইড’ ৷ এত দিন ধরে যাঁরা কার্যত গৃহবন্দী থেকে হাঁফিয়ে উঠেছেন, এ বার তাঁরা সুদূর আকাশে নিজের শহর এবং অন্যান্য রাজ্যে পাড়ি দিতে পারবেন। উপভোগ করতে পারবেন নৈসর্গিক সৌন্দর্য।

Hindustan Times-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার Qantas ও রয়্যাল ব্রুনেই এয়ারলাইন্সের মতোই এই নতুন পরিষেবার পরিকল্পনা করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। এই পরিষেবায় মাঝ-আকাশে একটি সুনির্দিষ্ট পথ ধরে পাড়ি দেবে উড়ান এবং এর মাধ্যমে আশপাশের সৌন্দর্যকে উপভোগ করবেন যাত্রীরা। এ ক্ষেত্রে যে বিমানবন্দর থেকে বিমানটি আকাশে উড়বে, সেখানেই সেটি ল্যান্ড করবে।

অস্ট্রেলিয়ার কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজের এই ধরণের উড়ান পরিষেবা দেখেই এয়ার ইন্ডিয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, কান্তাস এয়ারওয়েজের তরফে ইতিমধ্যেই সাত ঘণ্টার দীর্ঘ বিমান পরিষেবার ঘোষণা করা হয়েছে। এই সাত ঘণ্টায় কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজের বিমানে চড়ে যাত্রীরা বিমানবন্দর ও আশপাশের শহর সংলগ্ন সমস্ত বিখ্যাত ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের এরিয়াল ভিউ দেখতে পাবেন। গ্রেট বেরিয়ার রিফ ও সিডনি হারবারের মতো ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের এরিয়াল ভিউও দেখা যাবে।

এই পরিষেবা শুরু করে ইতিমধ্যেই সফল কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজ। বিমানে চড়ে আকাশ থেকে পছন্দের ট্যুরিস্ট প্লেসের এরিয়াল ভিউ দেখতে খরচ পড়ছে ৪২,০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, এই পরিষেবা চালু হওয়ার পর থেকে কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজের টিকিট দেদার বিকোচ্ছে। যদি এই একই পরিকল্পনা ভারতেও সফল হয়, তা হলে বিমান সংস্থাগুলি খানিক স্বস্তি পাবে।

তবে এখানেও পথের কাঁটা করোনা। কারণ এই পরিস্থিতিতে বার বার যতটা সম্ভব ট্র্যাভেলের বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। নিজেকে ভিড় থেকে সরিয়ে রাখতে। এই পরিস্থিতিতে এই বিমান পরিষেবা কতটা নিরাপদ হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ ইতিমধ্যেই এ নিয়ে সরব হয়েছেন। তাই সব উদ্যোগের মাঝেও একটা প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে বিমান সংস্থাগুলির কাছে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: September 26, 2020, 8:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर