Home /News /birbhum /
কেষ্টর লটারি নিয়ে কী বিস্ফোরক দাবি করলেন নুর আলির বাবা?

কেষ্টর লটারি নিয়ে কী বিস্ফোরক দাবি করলেন নুর আলির বাবা?

title=

অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে জড়িয়ে থাকা লটারি রহস্য উদঘাটনে বৃহস্পতিবার নুর আলি নামে এক ব্যক্তিকে শান্তিনিকেতনে নিজেদের অস্থায়ী দফতরে তলব করে সিবিআই। চলে জিজ্ঞাসাবাদ

  • Local18
  • Last Updated :
  • Share this:

#বীরভূম: কেষ্ট পেয়েছে লটারি! আর তা নিয়ে যেন রহস্যের অন্ত নেই। সত্যিই কি লটারিতে লাক ট্রাই করেছিলেন বীরভূমের কেষ্ট? নাকি, গোটা বিষয়টাই কালো টাকা সাদা করার কারবারের অংশ মাত্র।

অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে জড়িয়ে থাকা লটারি রহস্য উদঘাটনে বৃহস্পতিবার নুর আলি নামে এক ব্যক্তিকে শান্তিনিকেতনে নিজেদের অস্থায়ী দফতরে তলব করে সিবিআই। চলে জিজ্ঞাসাবাদ। আর সিবিআইয়ের অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে নুর আলির বাবা যা দাবি করলেন, তা তো এককথায় বিস্ফোরক।

সিবিআই সূত্রের দাবি, বীরভূমের কেষ্ট নন, কোটি টাকার লটারি জিতেছিলেন আসলে নানুরের বড়শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা নুর আলি। এদিন নুর আলির বাবা কটাই শেখ দাবি করেন, তাঁর ছোট ছেলে নুর আলিই আসলে লটারি জিতেছিল। কিন্তু, এলাকার তৃণমূল নেতারা তাঁদের হুমকি দিয়ে ওই লটারির টিকিট ছিনিয়ে নেন।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতায় সব রাজ্যে রাজভবন অভিযানের ডাক সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার

আরও পড়ুন: 'এমন উপাচার্য পাঠানো হচ্ছে যাঁর আদর্শ আরএসএস', বিশ্বভারতী নিয়ে বললেন ফিরহাদ

অন্যদিকে, একপ্রকার কটাই শেখের কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে লটারির টিকিট ব্যবসায়ী বাপি গঙ্গোপাধ্যায়ের। বাপির দাবি, নুর আলি লটারি জেতার পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বজ্যোতিই তাঁকে অনুব্রতের বাড়ি নিয়ে যায় বলে দাবি ওই লটারি বিক্রেতার। নুরের জেতা লটারির টিকিটটি আসল কি না, তা যাচাই করা হয় সেখানে। এরপরেই হয় দাম-দর। বাপির জানিয়েছেন, এর পরে ৮৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নুর আলির কাছ থেকে তাঁর জেতা লটারির টিকিটটি কিনে নেন অনুব্রত। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অবশ্য দাবি, এই অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই।

তবে কি, লটারির মাধ্যমে গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া চলছিল? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ইতিমধ্যেই কেষ্ট ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতিকে দিল্লির দফতরে তলব করেছে ইডি। বুধবার তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

সিবিআই সূত্রেই জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের একটি অ্যাকাউন্টে লটারির পুরস্কার মূল্য হিসাবে ১০ লক্ষ টাকা ঢুকেছিল। তার আগে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের অ্যাকাউন্টে দু’দফায় ঢুকেছিল লটারির টাকা। প্রথমবার সুকন্যা মণ্ডলের একটি অ্যাকাউন্টে লটারির বিজেতা হিসাবে ২৫ লক্ষ টাকা ঢোকে। পরের আরও একবার ২৬ লক্ষ টাকা ঢুকেছিল সুকন্যার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অর্থাৎ, দু’দফায় কেষ্টকন্যার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল লটারির ৫১ লক্ষ টাকা! আর অনুব্রত?

সিবিআই সূত্রের দাবি, অনুব্রত মণ্ডলের নিজের অ্যাকাউন্টে একবার ১ কোটি ও আরেকবার ১০ লক্ষ টাকা ঢুকেছে লটারির মাধ্যমে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র কেষ্ট মণ্ডলের পরিবারই লটারিতে জিতে ফেলেছিল ১ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা!

আগামী শুক্রবার গরুপাচার কাণ্ডে  ফের হাজিরা বীরভমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। তার আগে নুর আলির বাবা ও লটারি ব্য়বসায়ী বাপির এমন মন্তব্য নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published by:Satabdi Adhikary
First published:

Tags: Anubrata Mondal, Birbhum, Bolpur, Lottery, Santiniketan