Home /News /birbhum /
Birbhum News : ৬১ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি ! কীভাবে হবে চাষাবাদ ! কী ভাবছে প্রশাসন? জানুন

Birbhum News : ৬১ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি ! কীভাবে হবে চাষাবাদ ! কী ভাবছে প্রশাসন? জানুন

বৃষ্টির ঘাটতি

বৃষ্টির ঘাটতি

Birbhum News :  খাতায় কলমে রাজ্যে বর্ষার আগমন ঘটলেও বাস্তবে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই বৃষ্টির দেখা নেই।

  • Share this:

    #বীরভূম : খাতায় কলমে রাজ্যে বর্ষার আগমন ঘটলেও বাস্তবে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই বৃষ্টির দেখা নেই। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও একই অবস্থা। জানা যাচ্ছে, এই বছর জুন মাস থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত যেখানে বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল ৩৪৫.৬৭ মিলি, সেই জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ১৩৫.৭ মিলি। জেলায় এই মুহূর্তে বৃষ্টির ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৬১ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে চাষীদের মধ্যে।

    চাষীদের কথা অনুযায়ী, তারা মাঠে বীজতলা তৈরি করলেও জলের অভাবে সেই বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি সেচের জল পাওয়া যাচ্ছে না চাহিদা অনুযায়ী। স্থানীয় কিছু পুকুর ঘাট থেকে সেচের মাধ্যমে সেই সকল বীজতলা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি বজায় থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হবেন তারা।

    চাষীদের এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই বীরভূম জেলা প্রশাসনের কৃষি দফতরের আধিকারিকরা এবং জেলা পরিষদের জেলা সভাধীপতি একটি বৈঠক করেন। কিন্তু বৃষ্টি না হলে কোনওভাবেই চাষের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বীরভূম জেলা কৃষি দফতরের অধিকর্তা ডঃ এ কে এম মিনাজুর আহসান জানিয়েছেন, "চাষিরা বীজতলা তৈরি করে চাষের জন্য তৈরি হয়ে আছেন। ভালো বৃষ্টি হলেই তারা সেই চাষ আবাদের কাজ শুরু করতে পারবেন। বৃষ্টি যে হবে না এই কথা আমরা এখন ভাবছি না। বৃষ্টি হবে এই আশা নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তবে যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে চাষের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ ক্ষতি। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ৯০% জমিতে বীজতলা তৈরি হয়ে গিয়েছে। বাকি কাজ যে সকল জায়গায় সাবমারসিবলের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হয় সেখানে শুরু হয়েছে। বাকি জায়গায় এখনো তা শুরু করতে পারেননি চাষিরা।"

    বর্ষার মরসুমে বীরভূমে প্রায় ৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই বছর যেহেতু এখনও পর্যন্ত সেই ভাবে বৃষ্টির দেখা মেলেনি তাই মাত্র ৭০ থেকে ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত।

    তবে আগামী দিনে কি ব্যবস্থা গ্রহণ হবে তা নিয়ে বীরভূম জেলা পরিষদের জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, "গতবার এই সময় সেচের জন্য জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও এই বছর দেখা যাচ্ছে মেসেঞ্জার জলাধারে ৩৭০.৩০ ফুট জল রয়েছে। কিন্তু ওখানে জল স্টক রাখতে হবে ৩৬৯ ফুট। যে কারণে সেচের জন্য এখনই জল দেওয়ার মতো সুযোগ নেই। তবে যদি ঝাড়খন্ড অথবা আমাদের জেলায় বৃষ্টি হয় তাহলে আমরা জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈঠক করে জল ছাড়ার ব্যবস্থা করে দেব।"

    Madhab Das

    Published by:Piya Banerjee
    First published:

    Tags: Agriculture, Birbhum, Birbhum news

    পরবর্তী খবর