Football World Cup 2018

এই কাজটি করলেই চাকরি হারাবেন সরকারি কর্মচারীরা

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 27, 2017 03:09 PM IST
এই কাজটি করলেই চাকরি হারাবেন সরকারি কর্মচারীরা
Representational Image
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 27, 2017 03:09 PM IST

#পটনা: সচেতনতা প্রসারে ক্যাম্পেন, কড়া আইন করেও নির্মূল করা যায়নি পণ প্রথা ৷ টাকার বিনিময়ে বিয়ের প্রবণতা বন্ধ করতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ৷

বাল্য বিবাহ ও পণ নেওয়ার মতো ঘৃণ্য প্রথা বন্ধ করতে সচেষ্ট উদ্যোগী সরকার ৷ রাজ্য থেকে এই দুই জঘন্য প্রথাকে শিকড় থেকে শেষ করতে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার জানিয়েছেন, কেউ বিয়ের সময় পণ দাবী করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷

এছাড়া বিহারের কোনও রাজ্য সরকারি কর্মী বিয়ের জন্য পণ দাবী করেন তাহলে তাঁকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নীতিশ কুমার ৷

উল্লেখ্য, চাকরিতে যোগদানের সময় বিহারের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একটি শপথ বাক্য পাঠ করতে হয় ৷ যাতে বলা থাকে পণ প্রথা বা বাল্য বিবাহের মতো কোনও কাজকে সমর্থন করবে না ৷ নিজের বা নিজেদের ছেলে মেয়ের বিয়েতে কোনওভাবেই একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী পণ চাইবেন না এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই ছেলে মেয়ের বিয়ে দেবেন না ৷ এর অন্যথা হলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করবে সরকার ৷

তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বাস্তবে এই শপথের প্রভাব পড়ছে না বললেই চলে ৷ বিয়ের সময়ে গোপনেই চলছে পণের আদানপ্রদান ৷ অন্যদিকে, বাল্যবিবাহের হারও কমেনি ৷ তাই আরও কড়া ব্যবস্থা নিতেই চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ৷

পণপ্রথা ছাড়াও রাজ্য বাল্য বিবাহ বন্ধ করার জন্যেও সচেষ্ট সরকার ৷ বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি বলেন, বাল্য বিবাহ বন্ধের জন্য ‘বন্ধন তোড়’ বলে একটি অ্যাপও লঞ্চ করেছে সরকার ৷ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই জোর করে কারোর বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে নাবালিকা বা তাঁর পরিচিত কেউ এই অ্যাপের SOS ফিচারের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে পারেন ৷ প্রশাসন তৎক্ষণাৎ তার সাহায্যে সঠিক জায়গায় পৌঁছে যাবে ৷

First published: 02:58:36 PM Oct 27, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर