Home /News /bankura /
Bankura: নদীর বালি খুঁড়ে চুয়া তৈরি করে পানীয় জল সংগ্রহ গ্রামবাসীদের

Bankura: নদীর বালি খুঁড়ে চুয়া তৈরি করে পানীয় জল সংগ্রহ গ্রামবাসীদের

title=

বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার গেলেই বাঁকুড়া দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মানকানালি গ্রাম। আর সেই গ্রামে কল রয়েছে কিন্তু কল থেকে পড়ছে না জল।

  • Share this:

    বাঁকুড়া: বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার গেলেই বাঁকুড়া দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মানকানালি গ্রাম। আর সেই গ্রামে কল রয়েছে কিন্তু কল থেকে পড়ছে না জল। আর তাতেই চরম সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার গ্রামবাসীরা। তবে 2022 এ দাঁড়িয়ে এখনো মানুষকে খেতে হচ্ছে নদীর জল এর থেকে লজ্জার বোধহয় আর কিছু হয়না। বাঁকুড়া-২ ব্লকের মানকানালী গ্রাম পঞ্চায়েতের মানকানালী, খিরাইজুড়ি, মালিনদাসী গ্রাম। সকাল হলেই এইসব গ্রামের মহিলারা হাজারো কাজ ছেড়ে কলসি, বালতি, হাঁড়ি নিয়ে গন্ধেশ্বরী নদীর উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন কেননা এই জল না নিলে রান্না থেকে খাওয়া কোনটাই হবেনা তাদের। একপ্রকার বাধ্য হয়েই নদীপথের উদ্দেশ্যে রওনা মহিলাদের। তারপর সারিবদ্ধ ভাবে জল নেওয়ার পালা। বছর খানেক আগে গ্রামে পানীয় জল সরবরাহের জন্য পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয় আর তা শেষও হয়। কিন্তু ঐ পর্যন্ত্যই। পর্যাপ্ত জল কিন্তু তাদের গ্রামে মেলেনা। বারবার পঞ্চায়েত ব্লক অফিস এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে জানিও সুরাহা মেলেনি। গ্রামে একটি করে টিউবওয়েল থাকলেও সেই জল পানের অযোগ্য। ফলেবাঁকুড়া গন্ধেশ্বরী নদীতে মানকানালী সহ আরও দুটি গ্রামের বাসিন্দারা গিয়ে নদীর বালি খুঁড়ে চুয়া তৈরী করে পানীয় জল সংগ্রহ করে বাড়ির পথ ধরছেন তাঁরা।

    এই ছবি শুধু কোনো একটা দিনের নয় এই ছবি তাদের নিত্যদিনের। তবে তাদের গ্রামে এমনটা তো হওয়ার কথা ছিলনা। এই জল সমস্যার জন্য জেলা প্রশাসনকে দায়ী করেছেন গ্রামবাসীরা। গন্ধেশ্বরী নদী, আর সেই নদীর বালি সরিয়ে চুয়ার জল সংগ্রহ করে বেঁচে থাকা তাদের। মানকানালীর পাশাপাশি খিরাইজুড়ি, মালিনদাসী গ্রামেও জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের তরফে পানীয় জলের পাইপ লাইনের কাজ শেষ হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বেহাল অবস্থায় পড়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    সেই সঙ্গে ঐ তিন গ্রামের বাড়ি বাড়ি জলের পাইপ লাইন সংযোগের কাজও প্রায় সম্পূর্ণ। এতোসবের পরেও শুধুমাত্র মানকানালীর ১০ শতাংশ পরিবার দিনে একবার কিছু সময়ের জন্য জল পেলেও বাকি দুই গ্রাম সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ফলে ভরা জৈষ্ঠ্যের তপ্ত দিন গুলিতে জলযন্ত্রনায় ভূগছেন ঐ গ্রাম গুলির মানুষ।

    আরও পড়ুনঃ অস্তিত্বের সংকটে বিষ্ণুপুরের লন্ঠন শিল্প

    গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন এখনো তাদের নদীর জল সংগ্রহ করেই খেতে হয়। আর এই জলখাবার ফলে প্রায় পেটের রোগে ভোগেন তারা। এই অবস্থায় দ্রুত জল সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।মানকানালি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান চায়না ঘোষ বলেন সাধ্যমতো তারা চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে জল সমস্যার বিষয়টি তাঁরা পি.এইচ.ই দপ্তরকেও জানিয়েছেন। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে বলেও তিনি জানান।

    Joyjiban Goswami
    First published:

    Tags: Bankura, South Bengal

    পরবর্তী খবর