Home /News /bankura /
Bankura News: ছেলের দুটি কিডনি বিকল, প্রশাসনিক সাহায্যের কাতর আর্জি মায়ের

Bankura News: ছেলের দুটি কিডনি বিকল, প্রশাসনিক সাহায্যের কাতর আর্জি মায়ের

অসুস্থ [object Object]

নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসারে ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন পিন্টুর মা উমাদেবী।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: বাঁকুড়া ছাতনা ব্লকের শুশুনিয়া গ্রাম। সেই গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু কর্মকার। বয়স ২৮ বছর। একটি জীর্ণ বাড়িতে বসবাস মা ও ছেলের। পেশায় মোবাইল মিস্ত্রি পিন্টু। আর পাঁচটা যুবকের মত পিন্টুও তার গ্রামে মোবাইল ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করত। কিন্তু হঠাৎ একটা অসুখ কেড়ে নিল তার রুটি রোজগার। এখন পিন্টুর দুটি কিডনি বিকল হওয়ায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি ।

    আরও পড়ুন South East Railways: হাওড়া-খড়গপুর শাখায় লাইনচ্যুত একটি পার্সেল এক্সপ্রেস, আপ, মিডিল ও ডাউন লাইনে বন্ধ ট্রেন চলাচল বছর আঠাশের যুবক পিন্টু কর্মকারের বছর কয়েক আগে তার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই সংসারের হাল ধরতে হয় তাকে। সেইভাবে আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় উচ্চমাধ্যমিকের পর আর পড়া হয়নি তার। পারিবারিক আর্থিক অনটন তাকে পড়াশোনা করার সুযোগ দেয়নি, তাই ছোট্ট একটা মোবাইলের দোকান খুলে সেখানে মোবাইল সারার কাজ করে দিব্যি চলছিল মা ও ছেলের সংসার। হঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে পড়ে পিন্টু। কর্মীর অভাবে সেদিন থেকে বন্ধ হয়ে যায় মোবাইল দোকান। শুরু হয় পিন্টুর চিকিৎসা। চিকিৎসা করাতে গিয়ে জানা যায় দুটি কিডনি প্রায় নষ্টের মুখে। একমাত্র রোজগেরে ছেলের দোকান প্রায় ৬ মাস বন্ধ। সারাদিন বিছানায় শুয়ে কষ্ট যন্ত্রণায় কাতর হয়ে দিন কাটাচ্ছে পিন্টু। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসারে ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন পিন্টুর মা উমাদেবী। আপাতত হাসপাতালে ডায়ালিসিস চলছে পিন্টুর কিন্তু দিন দিন যেন শরীরের অবনতি ঘটছে তার। পিন্টুর চিকিৎসা যাতে ভালোভাবে করানো যায় সেই কারণে এলাকার যুবকেরা গ্ৰামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিছু টাকা সংগ্রহ করলেও সেই টাকা যথেষ্ট পরিমাণ নয়।

    আরও পড়ুন Malda News: করোনার মধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গুও, রোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ চিকিৎসকদের

    পিন্টুর মা তার ছেলেকে কিডনি দিলেও সেই কিডনি পরিবর্তনের জন্য খরচ প্রচুর তাই কিডনি পরিবর্তন খরচের টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে উমাদেবীকে। ডাক্তার জানিয়েছে প্রায় কুড়ি থেকে বাইশ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা তাদের পক্ষে জোগাড় করা কার্যত অসম্ভব। পিন্টুর মা এবং এলাকার মানুষজন চাইছেন একটু সরকারি সাহায্য। প্রশাসন যদি কিছু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে হয়তো বেঁচে যাবে পিন্টুর জীবন। এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন তার পরিবারের লোকজন থেকে গ্ৰামবাসী। জয়জীবন গোস্বামী

    First published:

    Tags: Bankura news, South bengal news

    পরবর্তী খবর