Home /News /bankura /
Bankura: কচুতেই লক্ষ্মী! চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন বাঁকুড়ার চাষিরা

Bankura: কচুতেই লক্ষ্মী! চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন বাঁকুড়ার চাষিরা

title=

কচুর চাষ করে কম খরচে অধিক লাভের মুখ দেখছেন বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুরের চাষিরা। গ্রামবাংলার সবার কাছে অতি পরিচিত সস্তা দামের সবজি হলো কচু।

  • Share this:

    বাঁকুড়া : কচুর চাষ করে কম খরচে অধিক লাভের মুখ দেখছেন বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুরের চাষিরা। গ্রামবাংলার সবার কাছে অতি পরিচিত সস্তা দামের সবজি হলো কচু। এই কচু চাষ দিন দিন বাড়ছে বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর ব্লক সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে । এই কচু চাষে রোগ বালাই অনেকখানি কম , কীটনাশক ছাড়াই চাষ আবাদ করা যায়। অন্যান্য ফসলের চেয়ে আবাদে খরচ অনেকটাই কম। এবং লাভের পরিমাণটাও বেশি। এই ফসলে পচনের ভয় নেই বললেই চলে। তাই কৃষকরা চিরাচরিত ব্যায় বহুল আলু, সর্ষে , বোরো ধানের চাষ বাদ দিয়ে কম খরচে অধিক লাভের আশায় কচু চাষের প্রতি ঝুঁকছে। এই কচু চাষ করতে সময় লাগে মাত্র দু মাস। মূলত পোষ, অঘ্রাণ, মাঘ মাসে বেশি কচুর চাষ হয়। কচু চাষে এক বিঘা তে ফলন হয় কুড়ি কুইন্টাল। এবং এক বিঘা জমি চাষে খরচ হয় ১০, ০০০ টাকা। চাষিরা ১৭০০ টাকা কুইন্টাল প্রতি হিসেবে বাজারে বিক্রি করেন। সেখান থেকে বিক্রেতারা বাজারে পঁচিশ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করেন।

    ফলে চাষিরা এক বিঘা জমিতে কুড়ি কুইন্টাল কচু চাষ করে তারা লাভ পান ১৪০০০ টাকা। এই মুহুর্তে বাঁকুড়া জেলার জয়পুর, কোতুলপুর ইন্দাস ব্লকের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দ্বারকেস্বর নদীর চর লাগোয়া বালি এবং দোঁয়াশ মাটিতে সবচেয়ে বেশি কচু চাষ হচ্ছে। এই কচু গুলির বিভিন্ন জাত হয়। দুধ কচু, পঞ্চমুখী কচু,আর মুখী কচু যা পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই দেখতে পাওয়া যায় ।

    আরও পড়ুনঃ ঘুড়ি উৎসব তছনছ হয়ে গেল কালবৈশাখীর দাপটে

    কচু এমন একটি সবজি যার আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত খাওয়া যায় এবং অল্প মূল্যে সব্জি মার্কেটে পাওয়া যায় ।কচুর লতি, ও ডাটা গ্রামাঞ্চল সহ কলকাতা, মেদিনীপুর, পুরুলিয়ার মতো জায়গাতে সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুষম পুষ্টিকর সবজি হিসেবে পরিচিত।

    আরও পড়ুনঃ চোরের দোতলা বাড়ি! উধাও সাইকেল, বাইক! অবশেষে কান ধরে উঠবস!

    এই মুহূর্তে কচুর বাজার মুল্য বেশি, তাই কৃষকরা দিনরাত এক করে বাড়ির মহিলাদের সাথে নিয়ে প্রখর তাপপ্রবাহে মাথার উপর ছাতা লাগিয়ে সারাদিন ধরে কচু তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাঁরা চাইছেন এই সময়ের মধ্যে একটু বেশী রোজগার করতে।

    Joyjiban Goswami
    First published:

    Tags: Bankura, Cultivation

    পরবর্তী খবর