• Home
  • »
  • News
  • »
  • astrology
  • »
  • WHAT IS THE CHARACTERISTICS OF DHANA YOGA AND POSITIVE EFFECTS TC RC

Dhana Yoga: খুলবে ভাগ্য, হাতে আসবে অঢেল টাকা! ধনযোগের প্রতিবন্ধকতা কাটাতে মানতে হবে এই ৬ নিয়ম

খুলবে ভাগ্য, হাতে আসবে অঢেল টাকা!

কী কারণে ধনযোগের সৃষ্টি হয়? তার পরিণামে জাতক-জাতিকা জীবনে কী ভাবে প্রভূত পরিমাণে ধনী হয় (Dhana Yoga)?

  • Share this:

অনেকেই বলেন যে ধনী হওয়াটা না কি কপালের ব্যাপার! কথাটা একেবারে মিথ্যা নয়। ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে ধনযোগ নামে একটা বিষয় রয়েছে। বলা হয় যে জন্মকুণ্ডলীর দ্বিতীয়, পঞ্চম. নবম এবং একাদশ কক্ষগুলি যদি জাতক-জাতিকার জন্মমুহূর্তে তাদের অধিপতিদের সঙ্গে এক সহাবস্থানে থাকে, তাহলে ধনযোগের সৃষ্টি হয়, পরিণামে জাতক-জাতিকা জীবনে প্রভূত পরিমাণে ধনী হয়।

ধনযোগ এবং জন্মকুণ্ডলীর কক্ষ ১. জন্মকুণ্ডলীর প্রথম কক্ষটি জাতক-জাতিকার জন্মলগ্নকে নির্দেশ করে। ২. দ্বিতীয় কক্ষ জাতক-জাতিকার অর্থসংক্রান্ত সব বিষয় এবং ধনাগমকে নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. জাতক-জাতিকা জীবনে কতটা অর্থলাভ করবে, জুয়াখেলায় তার অর্থাগম হতে পারে কি না- এই সব বিষয় বিশদে নির্ণয় করে জন্মকুণ্ডলীর পঞ্চম কক্ষ। ৪. জন্মকুণ্ডলীর নবম কক্ষটি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মের প্রতি ইঙ্গিত করে। ৫. জন্মকুণ্ডলীর একাদশ কক্ষটি জাতক-জাতিকার চরিত্রের মানবিক দিক এবং সে আদৌ ধনলাভে সমর্থ হবে কি না, তা জানান দেয়।

ধনযোগের প্রভাব ১. জাতক-জাতিকার গ্রহাধিপতি জন্মকুণ্ডলীর দশম কক্ষে থাকলে সে তার পরিবারের চেয়েও বিত্তশালী হয়। ২. জন্মকুণ্ডলীর সপ্তম কক্ষে মঙ্গল বা শনি এবং একাদশ কক্ষে কেতু ব্যতীত আর যে কোনও গ্রহের অবস্থানে জাতক-জাতিকার ব্যবসা দ্বারা ধনাগমের সম্ভাবনা থাকে। ৩. জন্মকুণ্ডলীর একাদশ কক্ষে কেতু থাকলে বিদেশ থেকে জাতক-জাতিকার ধনাগম হয়। ৪. জন্মকুণ্ডলীর দ্বিতীয় কক্ষের অধিপতি অষ্টম কক্ষে সরে গেলে কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা ধনলাভ করতে হয়। ৫. জন্মলগ্নে মঙ্গল যদি কর্কট বা মেষ রাশিতে অবস্থান করে, তাহলে জাতক-জাতিকা ধনী হয়। ৬. রবি পঞ্চম, মঙ্গল চতুর্থ এবং বৃহস্পতি একাদশ কক্ষে থাকলে উত্তরাধিকার সূত্রে ধনাগম ঘটে। ৭. জন্মকুণ্ডলীর প্রতি কেন্দ্রে গ্রহাবস্থান হলে জাতক-জাতিকার দৈবী উপায়ে অর্থপ্রাপ্তি হয়। ৮. বৃহস্পতি, মঙ্গল এবং শুক্র জন্মকুণ্ডলীর যে কোনও কক্ষে একত্রে থাকলে ধর্ম অবলম্বনে অর্থপ্রাপ্তি হয়। ৯. শনি বা মঙ্গল সপ্তম কক্ষে অবস্থান করলে জুয়া বা ক্রীড়াক্ষেত্র থেকে ধনাগম হয়। ১০. দশম কক্ষের অধিপতি তুলা বা বৃষে অবস্থান করলে বিবাহ দ্বারা ধনলাভ হয়। ১১. সপ্তম কক্ষে শনি, মঙ্গল এবং রাহু থাকলে পারিতোষিক হিসেবে ধনাগম হয়। ১২. ষষ্ঠ, অষ্ট, দ্বাদশ কক্ষের অধিপতিরা পরস্পরের সঙ্গে বা একাদশ কক্ষের অধিপতির সঙ্গের যুক্ত হলে জাতক-জাতিকার আচমকা অর্থাগম হয়। ১৩. চতুর্থ কক্ষে শনি যদি তুলা, মকর বা কুম্ভে অবস্থান করে, তাহলে গাণিতিক ক্ষেত্র, যেমন- গণিতের অধ্যাপনা, অ্যাকাউট্যান্সি, স্ট্যাটিসটিকস থেকে জাতক-জাতিকার ধনপ্রাপ্তি হয়। ১৪. পঞ্চম কক্ষের অধিপতি দশমে সরে গেলে জাতক-জাতিকার কন্যা/পুত্রভাগ্যে ধনলাভ হয়। ১৫. বৃহস্পতি দশম/একাদশ কক্ষে এবং রবি বা মঙ্গল চতুর্থ/পঞ্চম কক্ষে থাকলে প্রশাসনিক দিক থেকে অর্থপ্রাপ্তি হয়।

ধনযোগের বৈশিষ্ট্য রাহু বা কেতুর সঙ্গে বৃহস্পতির অবস্থানে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি লক্ষ্য করা যায়- ১. লাভ এবং ধনস্থানের অধিপতি অতি মাত্রায় সক্রিয় থাকেন এবং জাতক-জাতিকার প্রভূত ধনলাভ হয়। ২. লগ্ন এবং লগ্নাধিপতিরা শক্তিশালী হলে তবেই ধনযোগের সৃষ্টি হয়। ৩. অরিষ্ট যোগের অনুপস্থিতি ধনলাভের অন্যতম কারণ বলে পরিগণিত হয়। ৪. ধনাধিপতি ষষ্ঠ, অষ্টম এবং দ্বাদশ কক্ষে থাকলে প্রভূত আর্থিক ক্ষতি হয়। ৫. ধনযোগের ক্ষেত্রে জন্মকুণ্ডলীতে বৃহস্পতিকে শক্তিশালী হতেই হয়, তিনিই জাতক-জাতিকার ধনলাভ সুনিশ্চিত করেন। ৬. বৃহস্পতি শক্তিশালী হলে জীবনে কখনই অর্থকষ্টে পড়তে হয় না। ৭. বৃহস্পতি জন্মকুণ্ডলীর কেন্দ্রে থাকলে ধনাগম এবং সৌভাগ্য চিরস্থায়ী হয়। ৮. কেন্দ্রে ইন্দু লগ্ন থাকলেও জাতক-জাতিকার ধনলাভ নিশ্চিত হয়। ৯. লগ্নাধিপতির সঙ্গে জন্মকুণ্ডলীর অন্য কক্ষাধিপতিদের সম্পর্কও জাতক-জাতিকার ধনাগমের বিষয়টিকে প্রভাবিত করে। ১০. লগ্নাধিপতি এবং ত্রিকোণ জাতক-জাতিকার নিরন্তর অর্থাগমের সহায়ক হয়। ১১. পূর্বজন্মের সুকৃতীর উপরেও জাতক-জাতিকার ধনযোগ নির্ভর করে।

ধনযোগের প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের উপায় ১. দরিদ্রদের মুদ্রা এবং মেহন্দি দান করতে হবে। ২. বটবৃক্ষের শাখায় একটি গিঁট বেঁধে আসতে হবে, তবে অর্থসমস্যা মিটে গেলে তা খুলতে ভুললে চলবে না। ৩. বাড়িতে তুলসী গাছ রেখে তার মূলে প্রতি সন্ধ্যায় ঘিয়ের প্রদীপ নিবেদন করতে হবে। ৪. প্রতি শুক্রবারে আরাধনা করতে হবে ধনদেবী লক্ষ্মীর। ৫. বাড়িতে দেবী লক্ষ্মীর ছবি বা মূর্তির সামনে একটি প্রদীপ একটানা ১১ দিন জ্বালিয়ে রাখতে হবে। ১১ দিনে ১১ জন কুমারীকে ভোজন করানো এবং মেহন্দিদান করতে হবে। ৬. ৫ কেজি আটা এবং ১ কেজি গুড় একসঙ্গে মেখে তা দিয়ে রুটি তৈরি করে প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাভীদের ভোজন করাতে হবে।

Published by:Raima Chakraborty
First published: