সাইবার হানা ব্যাঙ্কের এটিএমে ? আশঙ্কায় নির্দেশিকা জারি RBI-এর

রানসামওয়ার আতঙ্ক। যেন থমকে দাঁড়িয়েছে অর্ধেক পৃথিবীটাই।

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 15, 2017 08:17 PM IST
সাইবার হানা ব্যাঙ্কের এটিএমে ? আশঙ্কায় নির্দেশিকা জারি RBI-এর
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 15, 2017 08:17 PM IST

#কলকাতা: রানসামওয়ার আতঙ্ক। যেন থমকে দাঁড়িয়েছে অর্ধেক পৃথিবীটাই। ফোন, ইন্টারনেট, ব্যাঙ্কিংয়ের সঙ্গে কার্যত থমকে স্বাস্থ্য পরিষেবাও। মিলছে না ওষুধের তালিকা, চিকিৎসার রেকর্ড, অপারেশনের খুঁটিনাটি। ৭০টিরও বেশি দেশে কম্পিউটার ও ডেটা সেন্টারে হানা দিয়েছে এক অচেনা ম্যালওয়ার বা কম্পিউটার ভাইরাস। এই দেশের অধিকাংশ গোপন তথ্য এখন হ্যাকারদের দখলে। মুক্তিপণ দিলে তবেই ফেরত আসবে অনলাইন নথি। ওপেন চ্যালেঞ্জ হ্যাকারদের।

আর এই চ্যালেঞ্জের মুখে পুড়ে রীতিমতো আশঙ্কায় আরবিআই ৷ সাইবার হানার ফলে এটিএমেও সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আরবিআই ৷ আরবিআই কর্তৃপক্ষের চিন্তার কারণ, দেশের বেশিরভাগ এটিএমে ব্যবহার হচ্ছে উন্ডোজ এক্সপি-র পুরনো ভার্সান ৷ আরবিএআই আশঙ্কা করছে, এই সাইবার হানা থেকে বিপর্যস্ত হতে পারে দেশের ডিজিটাল লেনদেনও ৷

সাইবার হানায় কাঁপছে বিশ্বের সব দেশ।ব্রিটেনের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ৮৩ শতাংশ তথ্য দখল করেছে ভাইরাসরা

অধিকাংশ হাসপাতালেই কম্পিউটার না খোলায় প্রায় বন্ধ চিকিৎসার কাজ ৷ রাশিয়ার নিরাপত্তা মন্ত্রকের যাবতীয় তথ্য এখন হ্যাকারদের দখলে কাজকর্ম বন্ধ করে হাত গুটিয়ে বসে রুশ স্বরাষ্ট্র বিভাগও ৷ স্পেনের ৯০ শতাংশ টেলিকম সংস্থা ও ব্যাঙ্কে হানা দিয়েছে ভাইরাস ৷ ইতালি, গ্রিস, স্পেন ও পর্তুগালের ব্যাঙ্কিং ও সাইবার সিকিউরিটি সেলেও হানা হ্যাকারদের

রানস্যামওয়ারের মোকাবিলায় এখনও পথ হাতড়াচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি সংস্থাগুলো। গ্রাহকদের তথ্য নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে পারছে না কোনও সংস্থাই। কেন? উপদেষ্টা সংস্থা আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের স্বীকরোক্তি, এ এমনই এক বিশ্বযুদ্ধ যার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না আমরা। আর এই প্রস্তুত না থাকার পরিণাম মারাত্মক৷ সাড়ে ৭ কোটি কম্পিউটার অকেজো সিস্টেম খুললেই কম্পিউটার হ্যাক করার নোটিশ দিচ্ছে হ্যাকাররা এই কম্পিউটার নয়, এই প্রথম হ্যাকারটা দখল নিচ্ছে ডেটা সেন্টার ও সার্ভারের

Loading...

আগে কখনও এই ধরণের হ্যাকিংয়ের মুখে পড়েনি দুনিয়া টাকা দিলেই যাবতীয় তথ্য ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে হ্যাকাররা। কাকে কত টাকা দিতে হবে, তা জানিয়ে নোটিশ চলে আসছে কম্পিউটারেই। দাবির পরিমাণ ১৯ হাজার টাকা থেকে ১৫০ কোটি টাকা। না দিলে চিরতরে নথি নষ্টের হুঁশিয়ারি হ্যাকারদের। টাকা মেটাতে হবে বিটওয়েনে। ঝামেলা থেকে বাঁচতে অনেকে তা মেনেও নিচ্ছেন।

মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থার ব্যবহৃত সফটওয়ারের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস এটাই বিশ্বের প্রথম দু-ওয়ে ডিসরাপটিভ ভাইরাস এই ভাইরাস মুছতে গেলেও চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে কম্পিউটারের রাখা ডেটা কোড বদলে নতুন করে আক্রমণ করতে ১ সেকেন্ডের কম সময় নেই এই ভাইরাস যদিও এখনই হেরে যেতে নারাজ সাইবার বিশেষজ্ঞরা। রানস্যামওয়ারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন দুনিয়ার হাজারেরও বেশি বিশেষজ্ঞ। তাদের পরামর্শ, অবিলম্বে ভালো অ্যান্টি ভাইরাস লাগালে ক্ষতি কিছুটা হলেও সামলানো যাবে। ভবিষ্যতে নতুন করে আক্রান্ত হতে হবে না। তবে যে ক্ষতি হয়ে গিয়েছে তার মেরামত আর সম্ভব নয় ৷

First published: 08:17:30 PM May 15, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर