মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় যাতে রাস্তায় মানুষজন গাড়ি সাবধানে চালায় সেই বার্তা দিতে তিনি এসেছিলেন এখানে। তার মোটরসাইকেলে ছন্দের আকারে লেখা তার সতর্কবাণী আবার তিনি ঢোল বাজিয়ে প্যারোডি গান গেয়েও প্রচার করেন। তবলা বাদক শিবু দাস তিনি বলেন, তার এই সামাজিক বার্তা প্রচার তার কাছে এক নেশার মতন। এই কাজ করি তিনি আনন্দ পান। জীবন জীবিকার জন্য তিনি তবলা বাদক। তবলা বাজিয়ে যা উপার্জন হয় তার ৬০ শতাংশ ব্যয় করেন পরিবার চালানোর জন্য। আর বাকি চল্লিশ শতাংশ তিনি ব্যয় করেন তার সামাজিক কাজ করার জন্য। বিভিন্ন প্ল্যাকার পোস্টর লেখা তা ছাপানো রাস্তাঘাটে কোন দুস্থ মানুষকে দেখতে পেলে তাকে সাহায্য করা এইসব করেই তার জীবন কেটে যায়।
advertisement
মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে যাওয়ার একটু তাড়া থাকে। সেই সময় যাতে অন্যান্য গাড়ি চালকরা বেশি তাড়াহুড়ো করে গাড়ি না চালায়। একইসঙ্গে পরীক্ষার সেন্টারগুলোর সামনে যাতে জোরে হন না বাজায় এই বিষয়ক একাধিক সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার করেন তিনি কোন্নগরে দাঁড়িয়ে। তাঁরই অভিনব প্রচার দেখে আপ্লুত এলাকার মানুষজন।
রাহী হালদার





