বর্ধমান শহরের এক উল্লেখযোগ্য পীর হলেন পীর বাহারাম সাক্কা।আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছরে আগে তুরস্কের একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন শাহ ওয়ার্দি।পরবর্তী কালে হুমায়ুনের ভাই কামরানের সৈন্যদলে কাজ করতেন কাবুল অঞ্চলে।১৫৪৬ সালে শাহ ওয়ার্দি ধর্মের পথ গ্রহণ করেন।তাঁর গুরুদেব তাঁকে বলেন মানুষের সেবা করতে হলে জলদান করতে হবে। গুরুদেবের কথা শুনে চামড়ার ভিস্তি কাঁধের মধ্যে ঝুলিয়ে জলদান করতে থাকেন সাধারণ মানুষকে।
advertisement
সেই সময়ে এই ভিস্তি নিয়ে জল প্রদানকারী মানুষদের বলা হত সাক্কা। সেই তখনই তিনি ‘সাক্কা’ উপাধি লাভ করেন। পরবর্তীকালে বাহারাম সাক্কা বলে পরিচিতি লাভ করেন।ইতিহাসবিদ সর্বজিৎ যশ জানান, পীর বাহারাম সাক্কা ও তাঁর ভাই ওয়াজিদ, তুরস্ক থেকে সিংহল যাত্রা করেন। দুই ভাইয়ে হেঁটে যাবেন বলে ঠিক করেন।হাঁটতে হাঁটতে বর্ধমানে এসে পৌঁছন এবং এক বৌদ্ধ যোগীর আস্তানায় যান। তাঁর তিন দিন পরই মারা যান পীরবাহারাম সাক্কা অর্থাৎ শাহ ওয়ার্দি। বৌদ্ধ যোগী জয়পালের বাগানে তাঁকে সমাধি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মুঘল সম্রাট আকবরের উদ্যোগে সমাধিস্থানের সৌন্দর্যায়ন করা হয়। বর্ধমানের এই স্থানটি কেবল একটি স্থাপত্য নয়, এটি বহন করে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।