- News18 Bangla
- Last Updated: March 6, 2020, 2:54 PM IST
#কলকাতা: আতঙ্কের আরেক নাম করোনাভাইরাস। ভারতের বাজারে চিনা খেলনা, মোবাইল আর আলোর ব্যাপক চাহিদা । কিন্তু করোনার জেরে ভারতে আমদানি হচ্ছে না চিনের সামগ্রী। বাংলাতেও চিনা সামগ্রীর বাজারে ধস। ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত।
চিনে তৈরি হওয়া খেলনা বা মোবাইলের যন্ত্রাংশ। আবার চিনা আলোর ঝিকিমিকি। ভারতের বাজারজুড়ে চিনের জিনিসের দাপট। কিন্তু চিনে করোনার জেরে ভারতে সামগ্রী আসা অনির্দিষ্টকালীন বন্ধ। তথ্য বলছে,
ভারতে চিনা খেলনার বাজার
-----------------------------------
- ভারতে খেলনা বাজারের ৮৫%-৯০% চিনের পকেটে
- খেলনার বিশ্ববাজারে চিনের অংশীদারি ৪৫%, ভারতের ০.৫১%
বাংলায় প্রায় ১ কোটি টাকার খেলনার বাজার। যার,প্রায় ৮০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করে চিনা খেলনা ৷ রাজ্যে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ চিনা খেলনা ব্যবসায় যুক্ত ৷ কলকাতায় ৩০ হাজার মানুষ চিনা খেলনা ব্যবসায় যুক্ত ৷
খিদিরপুর বা চাঁদনি মার্কেটে চিনা সামগ্রীর পাইকারি বাজার। অনির্দিষ্টকালীন আমদানি বন্ধ হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই স্টক ফুরোনর অবস্থা। বাড়ছে দাম। ব্যবসা লাটে ওঠার জোগাড় বিক্রেতাদের। ভারতে মোবাইলের বাজারে শাওমি, রিয়েল মি, অপো বা ভিভো-র মত চিনা মোবাইল সংস্থার রমরমা। বিভিন্ন ভারতীয় মোবাইল সংস্থারও যন্ত্রাংশ চিন থেকে আমদানি হয়। করোনা আতঙ্কে চিনা মোবাইল বা যন্ত্রাংশ আসাও বন্ধ। ইতিমধ্যেই
চিনা মোবাইলে করোনা-কাঁটা
---------------------------
-৫ মার্চ রিয়েল মি ৬ ও ১২ মার্চ শাওমি ও রিয়েলমি প্রডাক্ট লঞ্চ বাতিল করা হয়েছে
- করোনা আতঙ্কের জেরে অনলাইনে প্রডাক্ট লঞ্চের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
চিনা আলো বা বৈদ্যুতিন সামগ্রীর বাজারেও মন্দা। জোগান কম থাকায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে সামগ্রী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চললে ভারতে চিনা সামগ্রীর বাজার ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে।