বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস: জীবনযুদ্ধে হার না মানার শপথ, পা দিয়েই চলছে লেখাপড়া

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Dec 03, 2017 05:43 PM IST
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস: জীবনযুদ্ধে হার না মানার শপথ, পা দিয়েই চলছে লেখাপড়া
জীবনযুদ্ধে হার না মানার শপথ
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Dec 03, 2017 05:43 PM IST

 #হুগলি: ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না সইফুল। ইসমাইল, হাসানও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। তাতে কী? সব প্রতিবন্ধকতা জয় করে পথ শিশুদের পাশে দাড়ালেন তাঁরা। কচিকাঁচাদের পেটপুরে খাওয়ালেন। অন্যদিকে প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে জীবনযুদ্ধে লড়াইয়ের নজির গড়েছেন হুগলির পোলবার সায়ন মূর্মূ। হতাশা নয়, প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে চলার অঙ্গীকার এঁদের। আজ বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে এদের কুর্নিশ জানাচ্ছি আমরা ৷

হুগলি

জন্ম থেকেই হাত নেই সায়নের। হুগলির পোলবার বাসিন্দা মিতালী ও দীপঙ্করের ছোট ছেলে সায়ন। হাত না থাকলেও কোনও কাজই আটকায় না তার। হাতের বদলে পা দিয়েই সব কাজ করে সে। তা সে দাঁত মাজাই হোক, বা তেল মাখা। লেখাপড়তেও বেশ ভাল সায়ন। পা দিয়েই লেখালেখির কাজটা করে সে।

বাবা দিন মজুর। মা গৃহবধূ। অভাবের সংসার। সায়ন ও তার দাদা দু'জনেই স্কুলে যায়। সব খরচ সামলে উঠতেই হিমসিম খেতে হয় দীপঙ্কর-মিতালীকে। নেই প্রতিবন্ধী কার্ডও। যদি কোনও সরকারি সাহায্য পাওয়া যেত। আক্ষেপ মিতালীর।

আসানসোল

সইফুলের বাড়ি আসানসোলের রেলপাড় এলাকায়। ঠিকমত হাঁটতেও পারেন না। জীবন যুদ্ধে লড়াই করে স্নাতক হয়েছেন সইফুল। তাঁর দুই বন্ধু মহম্মদ ইসমাইল ও হাসান আনসারি। তাঁরাও প্রতিবন্ধী। এঁদের কেই টিউশন করান, কেউ ছোটখাটো দোকান চালিয়ে দিন গুজরান করেন। রবিবার প্রতিবন্ধী দিবস। তার আগে আসানসোল শহরের ফুটপাতবাসী-গবীর-দুঃস্থ পথ শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। বস্তিবাসী শিশুদের জন্য পেটপুরে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করেন এঁরা।

প্রতিবন্ধী যুবকদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দিয়েছেন পাশে থাকার আশ্বাসও।

First published: 05:43:14 PM Dec 03, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर