ম্যাচ হারলেও উজ্জ্বল ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’, ঝুলনের বোলিংয়ে মুগ্ধ সচিন থেকে ভাজ্জি সকলেই

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Jul 24, 2017 09:25 AM IST
ম্যাচ হারলেও উজ্জ্বল ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’, ঝুলনের বোলিংয়ে মুগ্ধ সচিন থেকে ভাজ্জি সকলেই
Photo: BCCI
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Jul 24, 2017 09:25 AM IST

#লন্ডন: কখনও তিরাশির জিমি অমরনাথের স্মৃতি। কখনও ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালে জাহিরের তেজ। বাঙালির চিরন্তন নস্ট্যালজিয়ার লর্ডসে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিজেকে উজাড় করে দিলেন চাকদহের ঝুলন গোস্বামী। ২৩ রানে ৩ উইকেট। ফেরাল লর্ডসে কপিলের সুখস্মৃতি। ম্যাচ তাই ভারত হারলেও উজ্জ্বল ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’ ৷ তাঁর বোলিংয়ে মুগ্ধ সচিন থেকে হরভজন প্রত্যেকেই ৷

স্কোরবোর্ডে ৩ উইকেটে ৬৩। লর্ডসে তখন খেলা ধরে নিয়েছেন সারা টেলর। নাটালিয়া স্কিভারও বিপজ্জনক হয়ে উঠছেন। এমন সময়ে অভিজ্ঞ ঝুলনকে বল করার জন্য ডেকে নিলেন ক্যাপ্টেন মিতালি। সুষমা ভার্মাকে ক্যাচ দিয়ে টেলর ফিরতেই লাইফলাইন পেল ভারত। পরের বলেই এলবিডব্লিউ উইলসন। দেড়শোর আগেই সাবাড় অর্ধেক ইংরেজ ব্যাটিং। এখানেই শেষ নয়। হাফসেঞ্চুরির পরই ন্যাট-মেগ থামিয়ে দিল চাকদহ এক্সপ্রেসের আরেকটা নিখুঁত ইয়র্কার। একার চওড়া কাঁধেই ভারতকে ফাইনালে ফিরিয়ে আনলেন ঝুলন গোস্বামী।

ফ্ল্যাশব্যাক তিরাশির ২৫ জুন। ৭ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ফাইনালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ। মোহিন্দর অমরনাথের ঝুলিতে দুজোঁ, মার্শাল আর হোল্ডিংয়ের উইকেট। জাম্পকাট ১৩ জুলাই, ২০০২। ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালে রানের বন্যা। তার মাঝেই জাহির খানের ৬২ রানে ৩ উইকেট। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনাল সবসময়ই আলাদা। অন্য স্নায়ুর যুদ্ধ। তাই ১০ ওভারে ঝুলনের তিনটে মেডেন বা ২৩ রানে ৩ উইকেটের তুলনায় জিমি বা জাহির নন। বারবার ফিরল কপিলের স্মৃতি।

আউটফিল্ডে বিউমন্টের ক্যাচ। তারপর যেকোনও বিশ্বকাপ ফাইনালের মাপকাঠিতে ওই বিষাক্ত স্পেল। ঝুলন জানতেন, ৩৫-এর দোরগোড়ায় এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। তাই শেষ ম্যাচটাকে ঐতিহাসিক করে তুলতে নিজেকে ছাপিয়ে গেলেন বাংলার মেয়ে। রবিবার যে শুধু চাকদহ নয়, গোটা ভারত তাকিয়ে ছিল তাঁর দিকে।

First published: 09:23:01 AM Jul 24, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर