৩৭ বছর পরেও তিনিই ‘মহানায়ক’ !

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jul 24, 2017 01:46 PM IST
৩৭ বছর পরেও তিনিই ‘মহানায়ক’ !
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jul 24, 2017 01:46 PM IST

#কলকাতা: তাঁর ভুবনমোহিনী হাসিতে নিজের মন হারাননি এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া ভার ৷ মৃত্যুর প্রায় ৩৭ বছর পরেও একই রকম রয়ে গিয়েছে তাঁর ক্যারিশমা ৷ রোমান্টিক নায়ক বলতে আজও প্রথমেই মনে আসে তাঁর নাম ৷ শুধু বাংলা সিনেমাতেই নয়, সর্বভারতীয় সিনেমাতেই তাঁর আকর্ষণ একইরকম ৷ তিনি মহানায়ক ৷

তাঁর ভুবনমোহিনী হাসিতে নিজের মন হারাননি এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া ভার ৷ মৃত্যুর প্রায় ৩৬ বছর পরেও একই রকম রয়ে গিয়েছে তাঁর ক্যারিশমা ৷ রোমান্টিক নায়ক বলতে আজও প্রথমেই মনে আসে তাঁর নাম ৷ শুধু বাংলা সিনেমাতেই নয়, সর্বভারতীয় সিনেমাতেই তাঁর আকর্ষণ একইরকম ৷ তিনি মহানায়ক ৷

শো-ম্যান রাজকাপুরও একদা তাঁর সম্বন্ধে বলেছিলেন, ‘ভারতীয় সিনেমার স্মার্ট, আধুনিক নায়ক বলতে উত্তমের নামই মনে আসছে ৷’ বর্তমানের বার্গার-পিৎজা প্রিয় প্রজন্মের কাছেও ফুরোয়নি তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির আর্কষণ ৷

সুচিত্রা ছাড়াও তনুজা, সুপ্রিয়া, মাধবী, শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গেও উত্তমকুমারের জুটি ছিল জনপ্রিয় ৷ সারা জীবনে মোট ২১১টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি ৷ তাঁর মধ্যে ১৫টি ছিল হিন্দি সিনেমা ৷

সুচিত্রা ছাড়াও তনুজা, সুপ্রিয়া, মাধবী, শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গেও উত্তমকুমারের জুটি ছিল জনপ্রিয় ৷ সারা জীবনে মোট ২১১টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি ৷ তাঁর মধ্যে ১৫টি ছিল হিন্দি সিনেমা ৷

দুজনে একসাথে পর্দায় আসলেই সেই সিনেমার গোল্ডেন জুবলি বাঁধা ৷ দর্শকের কাছে এতটাই প্রিয় ছিল এই জুটির কেমিস্ট্রি, যে টলি পাড়ায় প্রায়শই গুজব রটত উত্তম-সুচিত্রার প্রেম পর্ব নিয়ে ৷

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ক্লার্কের চাকরি ছেড়ে অরুণকুমার মুখোপাধ্যায় প্রথম সিনেমার জগতে যখন পা রাখেন তখন তিনি উত্তমকুমার নামে পরিচিত হন ৷ শুরুতে সাফল্য তাঁর ঝুলিতে আসেনি ৷ কিন্তু সুচিত্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৯৫৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাড়ে চুয়াত্তর’-এর পর আর ঘুরে তাকাতে হয়নি তাঁকে ৷

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ক্লার্কের চাকরি ছেড়ে অরুণকুমার মুখোপাধ্যায় প্রথম সিনেমার জগতে যখন পা রাখেন তখন তিনি উত্তমকুমার নামে পরিচিত হন ৷ শুরুতে সাফল্য তাঁর ঝুলিতে আসেনি ৷ কিন্তু সুচিত্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৯৫৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাড়ে চুয়াত্তর’-এর পর আর ঘুরে তাকাতে হয়নি তাঁকে ৷

সিনেমার রঙিন দুনিয়ার মতো মহানায়ক উত্তম কুমারের জীবনও ছিল বেশ রঙিন ৷ ভীষণ আমুদে এবং আড্ডা প্রিয় ছিলেন তিনি ৷

কথায় বলে, মানুষ যে কাজটি করতে সবথেকে ভালবাসে, সেই কাজ করতে করতেই মৃত্যু এসে শিয়রে দাঁড়ালে তাঁর থেকে শান্তির আর সম্মানের কিছু হয় না ৷ বিধাতা বাংলা সিনেমার মহানায়কের জন্যেও সেরকমই কিছু ভেবেছিলেন ৷ তাই ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই ‘ওগো বধূ সুন্দরী’-র শ্যুটিং ফ্লোরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সত্যজিতের ‘নায়ক’ ৷

First published: 01:46:03 PM Jul 24, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर