কামদুনির মৌসুমি-টুম্পাদের হাতে পদ্ম তুলে দিলেন দিলীপ ঘোষ

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 07, 2017 07:04 PM IST
কামদুনির মৌসুমি-টুম্পাদের হাতে পদ্ম তুলে দিলেন দিলীপ ঘোষ
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 07, 2017 07:04 PM IST

#কামদুনি: কামদুনির মৌসুমি-টুম্পারা কি যোগ দিচ্ছে বিজেপিতে ? এমন জল্পনাই বুধবার উস্কে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ৷ এদিন কামদুনি মোড়ে সভা থেকে বিস্তারক যাত্রা শুরু করে বিজেপি ৷ এরই মাঝে মৌসুমি-টুম্পাদের নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, ‘ওঁদের হাতে পদ্ম ফুল তুলে দিয়েছি ৷ সমঝদারো কে লিয়ে ইশারা হি কাফি হ্যায় ৷’

পঞ্চায়েত ভোটের আগে নয়া কর্মসূচি বিজেপি-র ৷ রাজ্যজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেমেছে গেরুয়া শিবির ৷ সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির নাম ‘বিস্তারক যাত্রা’ ৷ এই কর্মসূচিতেই কামদুনি আন্দোলনের দুই মুখকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় ৷ রাজ্য সভাপতির মন্তব্যেও জল্পনায় ঘি পড়ে ৷ কিন্তু এর ফল হয় অন্যকিছু ৷

কামদুনি আবেগ নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েই প্রথমেই ধাক্কা গেল গেরুয়া শিবির। এদিনই কামদুনির দুই প্রতিবাদী মুখ বিজেপিকে যোগ দেবেন বলে প্রস্তুতি নিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। সেই উদ্দেশ্যে কামদুনি থেকেই শুরু হয় দলের প্রচার অভিযান। তবে দিলীপ ঘোষদের অনুরোধ সত্ত্বেও গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন না কামদুনি আন্দোলনের পরিচিত মুখরা। আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর বদলে রাজনীতি করার অভিযোগও শুনতে হল বিজেপি নেতাদের।

বড় চমক দিতে চেয়েছিলেন দিলীপ ঘোষরা। কামদুনি দিবসে কামদুনিতে দাঁড়িয়েই বিজেপিতে যোগ দেবেন মৌসুমি ও টুম্পা কয়ালরা। সেই লক্ষ্যে

কামদুনি থেকেই বিস্তারক যাত্রা শুরুর কৈশল নেওয়া হয়। কিন্তু মাহালি দম্পতির মতো এখানেও আশাভঙ্গ। বিজেপিতে যোগ দেওয়া দূরে থাক, কামদুনি নিয়ে রাজনীতি না করতে সতর্ক করলেন প্রতিবাদীরাই। অস্বস্তি পড়ে ঢোঁক গিলতে হচ্ছে শীর্ষ নেতাদের।

রাজ্য বিজেপি দিলীপ ঘোষ বলেন,‘ আমরা শুধু ওদের জন্যই প্রচার অভিযান করছি না - সবার জন্যই করছি ৷’

কামদুনির নির্যাতিতার স্মৃতিতে অনুষ্ঠানে এদিন বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ছিলেন মৌসুমী, টুম্পা, প্রদীপ মুখোপাধ্যায়রা। জনসংযোগ বাড়াতে এক প্রতিবাদীর বাড়িতে খাওয়াও সারেন বিজেপি নেতারা। তবে বহু অনুরোধেও গেরুয়া পতাকা তুলে নেননি কেউই। পদ্মফুল হাতে দিয়েই মুখরক্ষা করেন দিলীপ ঘোষরা। কামদুনি আন্দোলন রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখার পক্ষেই রাখার পক্ষেই মত প্রতিবাদীদের।

২০১৫ সালে সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতির নেতৃত্বে রাজ্যে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামে বিজেপি। এই কর্মসূচি নতুন করে ঢেলে সাজাতেই কামদুনি থেকে শুরু বিস্তারক বা সদস্য সংগ্রহ অভিযান। কেন এর প্রয়োজন পড়ল?

রাজ্য বিজেপির দাবি ছিল, মিস কল দিয়ে দলের সদস্যপদ নিয়েছেন ১ কোটিরও বেশি মানুষ।

পরে ধরা পড়ে, এর মধ্যে অন্তত ৮৫ লক্ষের খোঁজই মিলছে না

প্রকৃত সদস্য বাড়াতে সরাসরি প্রচার শুরুর সিদ্ধান্ত হয়

কামদুনি অস্ত্র ব্যবহার করে প্রথমেই সেই প্রচারকে তুঙ্গে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। প্রথমেই তা মুখ থুবড়ে পড়ায় এখন বিস্তারক কর্মসূচির ভবিষ্যত নিয়েই প্রশ্ন উঠছে ।

First published: 07:04:50 PM Jun 07, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर