পাকিস্তানের ঘড়ি মেনে চলে মালদহের এই সরকারি অফিস !

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 13, 2017 05:51 PM IST
পাকিস্তানের ঘড়ি মেনে চলে মালদহের এই সরকারি অফিস !
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 13, 2017 05:51 PM IST

#মালদহ: পাকিস্তানের ঘড়ি মেনে চলে মালদহের এই সরকারি অফিস ! না প্রতিবেশী দেশের প্রতি কোনও বিশেষ সমর্থন বা দুর্বলতা নয়, কাজে ফাঁকি দিতেই এমন ব্যবস্থা ৷

কর্মসংস্কৃতির বেহাল ছবি মালদহের হবিবপুর BLRO অফিসে। বেলা পর্যন্ত অফিসে গরহাজির কর্মীরা। অফিস খুলে বসে আছেন নৈশপ্রহরী। কাজের জন্য দূর দূরান্ত থেকে BLRO অফিসে এসে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। তবুও হুঁশ নেই প্রশাসনের। ইটিভি নিউজ বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ল গোল্লায় যাওয়া কর্মসংস্কৃতির ছবিটা।

এটাই মালদহের হবিবপুরের ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর। যেখানে জমি সংক্রান্ত নানা কাজের জন্য রোজ আসেন সাধারণ মানুষ। আর সরকারি কর্মীদের আসার কথা বেলা সাড়ে দশটার মধ্যে। অথচ বেলা গড়ালেও অফিস আসা গোল্লায় তুলেছেন কর্মীরা।  দেওয়ালের ঘড়িতে বাজে এগারোটা দশ। অথচ অফিস শুনশান।

এক ঝলক দেখে মনে হতেই পারে কোনও এক রবিবারের ছবি। অথচ সপ্তাহের শুরুর দিন সোমবারেই এমন ছবি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়।

এখানেই শেষ নয়। সরকারি কর্মীদের হাজিরায় জোচ্চুরির ছবিটা এবার আপনাদের দেখাব। সময়ে হাজিরার জন্য রয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। চোখ কপালে উঠবে এই মেশিনে সেট করা সময় দেখলে। এভাবেই কারচুপি করে ফাঁকি চলছে দিনের পর দিন ।

তিরিশ মিনিটের ওপরে সময়ের পার্থক্য। লেট বাঁচাতে কোনও কসরতই বাদ রাখেননি সরকারি কর্মীরা। ফাঁকা অফিসে অনেক খুঁজে পাওয়া গেল নৈশপ্রহরীকে।  দেরিতে এসে ক্যামেরায় ধরা পড়লেন খোদ BLRO।

প্রতিদিনই জমি সংক্রান্ত নানা কাজে এখানে আসেন সাধারণ মানুষ। সরকারি কর্মীদের এই গাছাড়া মনোভাবেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। ফোনে গোকুলবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করি আমরা। শুনুন দেরিতে আসার জন্য কী সাফাই দিচ্ছেন তিনি।

সরকারি অফিসের কর্ম সংস্কৃতি ফেরাতে বারবার বার্তা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু দীর্ঘদিনের বদ-অভ্যাস যে সহজে বদলাবে না তা হবিবপুরের ঘটনা থেকেই পরিষ্কার।

First published: 05:50:37 PM Jun 13, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर