আশা কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে !

Jul 06, 2017 08:42 PM IST | Updated on: Jul 06, 2017 08:47 PM IST

#বর্ধমান: ঘরের দরজা জোর করে খুলিয়ে এক আশা কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ধর্ষণের কথা প্রকাশ্যে বললেই মহিলাকে বার কয়েক প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়।

ভয়ে ,আতঙ্কে নিগৃহীতা আশা কর্মী স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে বিচার চাইতে গেলে বিষয়টা টাকা দিয়ে মিটমাট করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রধান অসিত হাজরার বিরুদ্ধে। শেষমেশ কাটোয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে নিগৃহীতা ধর্ষণে অভিযুক্ত বংশধর প্রামানিকের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কাটোয়া থানার পুলিশ আজ সকালে নিগৃহীতা মহিলাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে এনে মেডিক্যাল পরীক্ষা করান হয় এবং পরে গোপন জবান বন্দী দেওয়ার জন্য কাটোয়া মহকুমা আদালতের বিচারকের কাছে পেশ করা হয়।

আশা কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে !

নিগৃহীতা মহিলার অভিযোগ ২১ জুন বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বংশধর প্রামানিক আমার ঘরের দরজা জোর করে খুলে ঘরে ঢুকে আমার উপর অত্যাচার শুরু করে । আমি চিৎকার করব বললে বংশধর আমাকে শাসাতে থাকে ৷ পরে বংশধর প্রামাণিক আমাকে ধর্ষণ করে। আমি পরদিন ঘটনার বিচার চাইতে স্থানীয় সরগ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসিত হাজরার কাছে গেলে প্রধান সাহেব আমাকে টাকা দিয়ে ধর্ষণের বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়ার পরামর্শ দেয়।

নিগৃহীতা জানান, ‘‘ আমি আতঙ্কে ভয়ে ও কিছুটা সামাজিক লজ্জার কারণে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে থানায় যায়নি। পরে ধর্ষণের কথা প্রকাশ্যে না আনার জন্য বংশধর আমাকে বার বার হুমকি দিয়ে শাসাতে থাকে । তখন আমি কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে যাই , উনি আমাকে কাটোয়া থানায় পাঠিয়ে দেন । আমি ৪ জুলাই কাটোয়া থানায় বংশধর প্রামাণিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করি । সরগ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসিত হাজরা তার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন , ওই আশা কর্মী আমার কাছে এসেছিলেন, আমি ওনাকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম । কেন উনি আমার নামে টাকা দিয়ে মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলেছি বুঝতে পারছি না। কাটোয়া থানার ও সি সঞ্জীব ঘোষ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি , তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্ত বংশধর প্রামানিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছি।’’

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES