রূপান্তরকামী হওয়াই অপরাধ? হাসপাতালে মিলল না চিকিৎসা

Jan 30, 2017 04:24 PM IST | Updated on: Jan 30, 2017 04:24 PM IST

#মগড়া: পরিকাঠামোর অভাব,হাসপাতালে নেই আলাদা কোনো ওয়ার্ড।তাই দুর্ঘটনায় আহত রূপান্তরকামী কে ফিরতে হয় বিনা চিকিৎসায়।

রবিবার মগড়ার বোরোপারায় পথ দুর্ঘটনায় আহত হয় ব্যারাকপুরের বাসিন্দা সুজয় কুন্ডু।তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বাঁশবেড়িয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।সেখানে চিকিৎসার বদলে জোটে দুর্ব্যবহার। তারপর তাকে হুগলী জেলা সদর ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সুজয় নিজের পরিচয় দেয় তৃতীয় লিঙ্গ হিসাবে। তবু তাকে ছেলে না মেয়ে এই প্রশ্নের মুখে পরতে হয়। দুর্ঘটনায় তার আঘাত বেশ গুরুতর হলেও তাকে ভর্তি করা নিয়ে চলে টালবাহানা। সুজয়ের সঙ্গীরা এক জন মানুষ হিসাবে দেখতে বললে পরে তাকে ভর্তি নিলেও মেল না ফিমেল কোন ওয়ার্ডে দেওয়া হবে তা নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন।

রূপান্তরকামী হওয়াই অপরাধ? হাসপাতালে মিলল না চিকিৎসা

File Photo

File Photo File Photo

প্রথমে মেল ওয়ার্ডে তাকে দেওয়া হয়,সুজয় জানায় সে যেহেতু রূপান্তরকামী তাই তাকে ফিমেল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হোক।কিন্তু সেখানেও তাকে হাসপাতালের আয়া ও অন্য রোগীদের কু-কথা শুনতে হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থতি এমন দাঁড়ায়, যে চিকিৎসা পাওয়ার বদলে তাকে চরম হেনস্থা হতে হয়। বাধ্য হয়ে হাসপাতাল থেকে তাকে নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন তার সঙ্গীরা।

রূপান্তরকামী বা ট্রানজেন্ডারদের নিয়ে আন্দোলনকারী অত্রি কর অভিযোগ করেন ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট রূপান্তরকামীদের স্বীকৃতি দিলেও তারা কোনো সুযোগ সুবিধা পায় না। চাকরির পরীক্ষা হোক বা চিকিৎসা পরিষেবা ছবিটা সর্বত্র এক চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালের সুপার উজ্জ্বলেন্দু বিকাশ মন্ডল বলেন, রূপান্তরকামী রোগি যারা আসছেন তাদের লিঙ্গ অনুযায়ী সেই ওয়ার্ডে ভর্তি করার চেস্টা করছি। কোনো নির্দিষ্ট গাইড লাইন এই ধরনের রোগীদের জন্য নেই। এটা কোনও স্থানীয় সমস্যা না সাধারন সমস্যা। লিখিত ভাবে কেউ জানালে উচ্চ আধিকারীকদের জানাব,যাতে এই ধরনের রোগীরা হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসা পায়।

RECOMMENDED STORIES