বন্যা বিধ্বস্ত বাংলার পাশে দাঁড়াতে পুজো কমিটির অভিনব ভাবনা

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 08:15 PM IST
বন্যা বিধ্বস্ত বাংলার পাশে দাঁড়াতে পুজো কমিটির অভিনব ভাবনা
Photo : AFP
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 08:15 PM IST

#উত্তর দিনাজপুর: বানভাসি বাংলায় এসেছে শারদ উৎসব। বারোটা জেলার সঙ্গে ভাসছে উত্তরবঙ্গও। উৎসব প্রস্তুতির সঙ্গে চলছে বন্যা বিধ্বস্ত জেলার পুনর্গঠনের কাজ। এখনো বেশ কিছু অঞ্চল জলের তলায়। অনেক জায়গায় জল নামলেও বন্যায় ভেসে গেছে সর্বস্ব। জেলার বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলো এগিয়ে আসছে তাঁদের বাজেট কাটছাঁট করে।

১৩ অগাস্টের বন্যার ধাক্কা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি, জেলা। এখনও বানভাসি উত্তর দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। কুলিকের জলে ভেসে যাওয়া শতাধিক গ্রাম। ঘর বাড়ি ছেড়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন, ত্রাণ শিবিরে। পাকা বাড়ির স্কুলে। অনেকের জন্য রাস্তায় ধারেই ত্রিপল খাটিয়ে করা হয়ে অস্থায়ী বাসস্থান। জল নামতে শুরু করেছে। বাড়ছে পেটের অসুখ। প্রয়োজন হাল্কা খাবার, প্রচুর ওষুধ, পানীয়জল। আর চিকিৎসক। বন্যার প্রথম ধাক্কা কেটে গেলেও বাকি এখন অনেক কাজ। কিন্তু বাঙালির প্রধান উৎসবের বাকি আর মাসখানেকের কম সময়।

জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে পূনর্গঠনের কাজ। ইটাহার ব্লকের বেশ কিছু গ্রাম এখনও জলের তলায়। গড়ে দিতে হবে বাড়ি। বেঁধে দিতে হবে বেড়া। সেই কাজেই এবার হাত লাগাতে নেমে পড়েছে জেলার বেশ কিছু বড় বাজেটের পুজো। কেউ ডাক দেয়নি। নিজেদের প্রাণের টানেই সিদ্ধান্ত পুজো বাজেট কাঁটছাট করার। চোদ্দ লাখের বাজেট থেকে দু লাখ কমালে জৌলুস একটু কমতে পারে। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যায় বানভাসিরা। সেটাই লক্ষ্য।

নতুন পোষাক। জামাকাপড়। চাদর কম্বলের ব্যবস্থা করা হছে ওই টাকায়। পুজো শুরুর আগেই সেই সব উপহার নিয়ে যাওয়া হবে বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকায়। কারণ উৎসবের দিনগুলোতে একদিকে যখন আলোয় খুশির উচ্ছ্বাস চলবে তখন, আরেক ঘরে অন্ধকার থাকে কি করে? সেটাই চ্যালেঞ্জ। সুদর্শনপুর সর্বজনীনকে দেখে এগিয়ে আসছে আরো অনেক পুজো কমিটি। এটাই আশার কথা।

First published: 03:11:39 PM Sep 01, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर