বর্ষায় পাড় ভাঙছে গঙ্গার পাড়, বিপর্যস্ত নদীয়ার বেশ কিছু অঞ্চল

Jul 12, 2017 07:16 PM IST | Updated on: Jul 12, 2017 07:17 PM IST

#নদীয়া: ভরা বর্ষা নয় সমান্য বর্ষায় গঙ্গার পাড় ভাঙে। ফি বছর গঙ্গার ভাঙনের ফলে হাজারো মানুষের ক্ষতি হয়। কারও বাড়ি কারও চাষের জমি ভেঙে গঙ্গা গর্ভে চলে যাবার কারণে সর্বশান্ত হন গঙ্গা পাড়ের সাধারণ মানুষ। নদীয়া জেলা এমনিতেই গঙ্গার ভাঙ্গন প্রবণ এলাকা নামে পরিচিত । প্রতি বছর বর্ষার পর থেকেই ব্যাপক হারেই ভাঙ্গন শুরু হয়।

নদীয়া জেলার চাঁদুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পোড়াডাঙ্গা ,মুকুন্দনগর , বাবুপাড়া এবং রানাঘাট ব্লকের তারাপুর, গোঁসাইচর সহ আশে পাশের এলাকায় ব্যাপক হারে পাড় ভাঙ্গে। কখনও ভ্যাটিভার ঘাস, জিও ম্যাট ব্যবহার কোটি কোটি টাকা খরচ করেও ভাঙ্গন রোধ করা যায়নি। আবার জল বাড়তেই শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। গত কয়েকদিনে তলিয়ে যেতে দেখেছেন বিঘের পর বিঘে জমি। কারও কারও ঘর দু’তিনবার সারানো হয়ে গিয়েছে । আবার ভাঙ্গন কড়া নাড়ছে দৌড় গোড়ায়। নদীয়ার প্রধান নদী গুলি হল ভাগিরথী, মাথাভাঙ্গা, চূর্ণী, জলঙ্গী, ইছামতী, পদ্মা।

বর্ষায় পাড় ভাঙছে গঙ্গার পাড়, বিপর্যস্ত নদীয়ার বেশ কিছু অঞ্চল

সব মিলিয়ে ৭৪৪ কিমি পথ রয়েছে নদীয়ায়। প্রতি বছর ভাঙ্গনের মুখে পরেন নদী পাড়ের সকলে। ইতিমধ্যে চাঁদুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩টি সংসদের মধ্যে ৫ টি গ্রামই মানচিত্র থেকে মুছে গিয়েছে । বাকি গ্রাম গুলি মোছার অপেক্ষায়। এখানকার বাসিন্দারা চান স্থায়ী সমাধান। ভোট আসে ভোট যায় স্থায়ী ভাঙ্গন রোধে কেউ কোন ব্যবস্থা করেনি। বিধায়ক রত্না ঘোষ কর জানান সেচ মন্ত্রী রাজীব চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যে পোড়াডাঙ্গায় ১২০০ মিটারের কাজ শুরু করা হয়েছে এরপর আরো ৮০০ মিটার কাজ হবে তাতে ঐ এলাকায় ভাঙন কিছুটা কমবে ৷

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES