ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা কেন শিক্ষিকার ? নতুন তথ্য হাতে পেল পুলিশ

Jul 03, 2017 02:47 PM IST | Updated on: Jul 03, 2017 02:47 PM IST

#বর্ধমান: কাটোয়া রেলগেটের কাছে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে মুর্শিদাবাদের শিক্ষিকার আত্মহত্যার ঘটনার তদন্তে নেমে নতুন তথ্য পেল পুলিশ।

রবিবার সন্ধ্যায় রেল লাইন থেকে বীনা দাস মণ্ডলের দেহ উদ্ধারের সময় একটি লেডিস পার্স উদ্ধার হয়। পার্সের মধ্যে কয়েকটি ফোন নম্বর লেখা কাগজ ছাড়া বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগের বি এড-র সিলেবাস সংক্রান্ত কাগজ পাওয়া যায়। শিক্ষিকার মোবাইল ফোন পুলিশ খোঁজ করার পর জানতে পারে যে তার স্বামী নিখিল মণ্ডলের কাছে বীনা দাস মণ্ডলের মোবাইল রাখা আছে। আজ, সোমবার সকালে কাটোয়া রেল পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিক এস.মুখোপাধ্যায় আত্মহত্যার ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেন।

ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা কেন শিক্ষিকার ? নতুন তথ্য হাতে পেল পুলিশ

স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে বীনা দাসমণ্ডল আত্মহত্যার আগে দ্বিতীয় লাইন থেকে ছুটে এসে তৃতীয় লাইনে আসা কাটোয়ামুখী ৩৭৯১৯ আপ হাওড়া লোকালের নিচে ঝাঁপ দেয়। পুলিশের কাছে প্রশ্ন, বীনা স্টেশনের ওভারব্রীজ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার পথ রেল লাইন ধরে এল কেন ? দ্বিতীয়ত বীনার মোবাইল ফোন তার স্বামীর কাছেকেন থাকল ? তাহলে কি স্বামী নিখিল স্ত্রী-র কোন 'সম্পর্ক' নিয়ে সন্দেহ করে মোবাইল কেড়ে নেয় ? ওভারব্রীজে স্ত্রী-কে দাঁড় করিয়ে রেখে নিখিল টিকিট কাটতে গিয়েছিল। ৪টে ২১ মিনিটে টিকিট কাটা হয় আর বীনা দাস মণ্ডল ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেয় ৫.৩৫ মিনিট নাগাদ।

প্রায় এক ঘণ্টা সময় নিখিল মণ্ডল কী করছিলেন, পুলিশের সামনে এটাও ধোঁয়াশা ঠেকছে। যদিও নিখিলের দাবি, সে স্ত্রী-কে খুঁজতে বাসস্ট্যান্ড থেকে স্টেশন চত্ত্বরে ঘুরছিল। পরে শ্বশুর বাড়ির পরামর্শে কাটোয়া রেল পুলিশের কাছে যায় এবং এক মহিলার রেলের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে জেনে রেল পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করে। বীনার ভাই অমর দাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ আজ জামাইবাবুর সঙ্গে দিদির কি হয়েছিল জানি না, তবে দিদি আত্মহত্যা কেন করল আমরা বুঝতে পারছি না।’’

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES