যুদ্ধে জয় বর্ধমানের, মিহিদানা ও সীতাভোগ পেল বিশেষ স্বীকৃতি

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Apr 03, 2017 01:48 PM IST
যুদ্ধে জয় বর্ধমানের, মিহিদানা ও সীতাভোগ পেল বিশেষ স্বীকৃতি
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Apr 03, 2017 01:48 PM IST

#বর্ধমান: মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছায় বর্ধমানে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি হাব। ৭ এপ্রিল হাব উদ্বোধনের ঠিক আগেই সীতাভোগ ও মিহিদানা - এই যমজ মিষ্টির জন্মস্থানের স্বীকৃতি পেল বর্ধমান। কেন্দ্রীয় শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের স্বীকৃতিতে খুশি শহরবাসী। মিষ্টি-মুখও করালেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে ধন্যবাদও জানান তাঁরা।

রসগোল্লার কপিরাইট নিয়ে বহুদিন ধরেই বাংলা এবং ওড়িশার টাগ অফ ওয়ার চলছে। সেই দ্বন্দ্বের মাঝেই বর্ধমানকে সীতাভোগ এবং মিহিদানার জন্য জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন শংসাপত্র দিল কেন্দ্রের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি ও প্রমোশন দফতর। অর্থাৎ সরকারিভাবে এখন সীতাভোগ-মিহিদানা বর্ধমানেরই।

১৯০৮ সালে বর্ধমানে আসেন বড়লাট লর্ড কার্জন। তখন বর্ধমানের রাজবাড়িতে প্রখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগের ডাক পড়ে। বড়লাটকে খাওয়ানো ও উপহার দেওয়ার জন্য তাঁকে নতুন মিষ্টি বানাতে বলেন মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাব। মহারাজার নির্দেশে সীতাভোগ মিহিদানা বানিয়ে ফেলেন ভৈরবচন্দ্র। সেই শুরু। তারপর থেকে দিনে দিনে দেশের সীমান্ত পেরিয়ে আজ বিশ্ব বাজারে সমাদৃত এই দুই মিষ্টি।

মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় ২০১৫ সালে বর্ধমানের শিল্প দফতর ও বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়োশন যৌথভাবে GI-এর রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জানায়। অবশেষে চলতি বছরের ৩১ মার্চ ভারত সরকারের তরফে স্বীকৃতি পেল বর্ধমান।

মিষ্টি ব্যবসায়ীদের মতে বর্ধমানের জল ও গোবিন্দভোগ চালের জন্য সেখানে মিষ্টির স্বাদই আলাদা। যার কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি বড় বড় মিষ্টি প্রস্তুতকারকরা। ১১৩ বছর পথ চলার পর অবশেষে মিষ্টির জিআই স্বীকৃতি পেয়ে খুশি মিষ্টি ব্যবসায়ী থেকে বর্ধমানের সাধারণ মানুষ।

First published: 01:45:35 PM Apr 03, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर