ফলতার সঙ্গে বাদুরিয়া শিশু পাচার চক্রের যোগ !

Mar 05, 2017 06:23 PM IST | Updated on: Mar 05, 2017 06:23 PM IST

#ফলতা: উত্তর থেকে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা। ছড়িয়ে রয়েছে শিশু পাচারের জাল। ফলতায় নার্সিংহোমের সঙ্গে যোগ মিলল ঠাকুরপুকুরের পূর্বাশা হোমের পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বড়দির। যাকে বাদুড়িয়ার শিশুপাচারচক্রে ধরা হয়। ধৃত জীবনদীপ নার্সিংহোমের আয়া সাবিত্রী বৈদ্য ও তার স্বামী শ্যামল বৈদ্যকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাদুড়িয়ার মত এখানেও বেশ কয়েকজনের চিকিৎসকের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

২০১৬-র নভেম্বর মাসে ফলতার একটি খালের পারে উদ্ধার হয় তিনটি সদ্যোজাত। তার তদন্তে নেমে শনিবার গ্রেফতার করা হয় ভাদুরার জীবনদীপ নার্সিংহোমের মালিক প্রবীর খাঁ ও তার বাবা হরিসাধন খাঁকে। বাবা-ছেলেকে জেরা করে নার্সিংহোমের আয়া সাবিত্রী বৈদ্য ও তার স্বামী শ্যামল বৈদ্যকে গ্রেফতার করে ফলতা থানার পুলিশ। আর শ্যামলকে জেরা করেই ফলতার ঘটনায় উঠে আসে ঠাকুরপুকুরের পূর্বাশা হোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বড়দির নাম।

ফলতার সঙ্গে বাদুরিয়া শিশু পাচার চক্রের যোগ !

রাজ্যে শিশুপাচারের জাল

- উত্তর ২৪ পরগনার বাদুরিয়ায় প্রথম শিশুপাচারচক্রের হদিশ

- ধৃত বেহালার পূর্বাশা হোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বড়দি

- হোমের আড়ালে শিশুপাচারের মূল মাথা এই বড়দি

বাদুড়িয়ার ঘটনায় ৩ জন MBBS ও একজন হাতুড়ে চিকিৎসক ধরা পড়ে। ফলতার ঘটনাতেও পাওয়া গেছে চিকিৎসকদের জড়িত থাকার তথ্য।

বাইট - শ্যামল বৈদ্য, শিশুপাচারে অভিযুক্ত

ফলতার শিশুপাচারের অপারেশন চলত ভাদুরার জীবনদীপ নার্সিংহোম থেকে। এই নার্সিংহোমে পাচারকারীদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল বলে জানিয়েছেন নার্সিংহোমের আয়ারাও।

রবিবার শ্যামল এবং সাবিত্রী বৈদ্যকে ডায়মন্ড হারবার আদালতে পেশ করা হয়। শ্যামল বৈদ্যকে ১১ দিনের পুলিশ হেফাজত এবং সাবিত্রীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

সদ্যোজাতদের মোটা অঙ্কে বিক্রির ব্যবসার জাল ছড়িয়ে রাজ্যের সর্বত্র। জড়িত নার্সিংহোম, আয়া, নার্স থেকে চিকিৎসক। বাদুড়িয়ার মত একই ভাবে কাজ চলত ফলতেতেও। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে করে চক্রের বাকি মাথাদের খোঁজে এখন তদন্তকারীরা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES