স্ত্রীকে ছক করে ডেকে এনেই খুন, তদন্তে অনুমান পুলিশের

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 28, 2017 04:44 PM IST
স্ত্রীকে ছক করে ডেকে এনেই খুন, তদন্তে অনুমান পুলিশের
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 28, 2017 04:44 PM IST

#দুর্গাপুর: দুর্গাপুরে স্ত্রীকে খুন করে ঘরে পুঁতে রাখার ঘটনার তদন্তে আরও একধাপ এগোল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযুক্ত হায়দর শেখকে সঙ্গে নিয়ে, ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন তদন্তকারীরা। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় ছক করে স্ত্রীকে খুন করে হায়দর। তার কড়া শাস্তির দাবি উঠেছে।

স্ত্রীকে খুন। দেহ লোপাট করতে ঘরের মধ্যে গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া। কিন্তু, মানসিক চাপ সহ্য করতে পারেনি দুর্গাপুরের বেনাচিতির উত্তরপল্লির বাসিন্দা হায়দর শেখ। বাড়িমালিককে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে সে। পুলিশের কাছে ধরাও দেয়। এবার, হায়দরকে জেরা করে খুনের কারণ জানতে চাইছে পুলিশ। শনিবার গভীররাতে হায়দরের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়। কীভাবে স্ত্রী রিনা বেগমকে খুন করে হায়দর?

প্রথমে ছুরি দিয়ে স্ত্রী রিনার গলার নলি কেটে দেয় হায়দর। এরপর, তাঁর বুকে ছুরি দিয়ে পরপর ছ’বার আঘাত করে সে। সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয় রিনার। তাঁর দেহ লোপাট করতে নতুন ছক কষে সে। ঘরের মেঝেয় আড়াই ফুট গর্ত খোঁড়ে হায়দর। সেই গর্তে স্ত্রীর দেহ উপুড় করে শুইয়ে দেয়। এরপর, নিপুণ হাতে মেঝের ওপর টাইলস বসিয়ে দেয় পেশায় রাজমিস্ত্রি হায়দর।

অবশ্য বাঁচার শেষ চেষ্টাও করে হায়দর। সে পুলিশকে বলে, বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েই মারা যায় রিনা। কিন্তু, জেরার সামনে তার এই মিথ্যে বেশিক্ষণ টেকেনি। স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করে হায়দর। কিন্তু, রিনার বাড়ির লোকের পালটা অভিযোগ, ছেলে-মেয়ের গৃহশিক্ষিকার সঙ্গে হায়দরের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। তা জেনে ফেলাতেই এই খুন।

গৃহশিক্ষিকার সঙ্গে সম্পর্কে বাধা দেওয়াতেই কি রিনাকে খুনের ছক কষে হায়দর? ছেলে-মেয়েকে কীর্ণাহারে, বাপেরবাড়ির স্কুলে ভরতি করার ইচ্ছে ছিল রিনার। ছেলে-মেয়েকে সেখানে রেখেও আসেন তিনি। কিন্তু, ২১ মে তাকে ছক করে ডেকে আনে হায়দর। আর সেদিনই খুন হন রিনা।

কিছুদিন আগেই শোরগোল ফেলে দেয় আকাঙ্খা খুনের ঘটনা। আকাঙ্খা ও মা-বাবার দেহ মাটিতে পুঁতেও রেহাই মেলেনি উদয়নের। সেই একই ছক কষেও শেষরক্ষা হল না দুর্গাপুরের হায়দর শেখেরও।

First published: 04:44:14 PM May 28, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर