বিকল্প পথ নেই, প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই বিপজ্জনক সেতু পারাপার বাসিন্দাদের !

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Jun 21, 2017 09:18 AM IST
বিকল্প পথ নেই, প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই বিপজ্জনক সেতু পারাপার বাসিন্দাদের !
Representational Image
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Jun 21, 2017 09:18 AM IST

#বর্ধমান:  বিকল্প পথ না থাকায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বিপজ্জনক সেতু দিয়ে দামোদর পার হতে বাধ্য হচ্ছেন বর্ধমানের রায়না, জামালপুরের বাসিন্দারা।

সোমবার বৃষ্টিভেজা রাতে ডাক্তার দেখিয়ে ছেলের মোটর সাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে সেতু থেকে পড়ে দামোদরে তলিয়ে যান রেহেনা বেগম নামে এক মহিলা। এর আগেও এখানে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। আহত হয়েছেন অনেকেই। বাসিন্দাদের প্রশ্ন, স্থায়ী সেতু পেতে আর কত প্রাণের মূল্য দিতে হবে ?

দামোদরের একদিকে বর্ধমানের বড়শুল। অন্যদিকে জামালপুরের শম্ভুপুর, চক্ষনজাদি-সহ রায়নার বেশ কয়েকটি গ্রাম। চিকিৎসা থেকে প্রশাসনিক কাজ, বাজার-হাট সবেতেই বাসিন্দারা বর্ধমানের ওপর নির্ভরশীল। অথচ সরাসরি বর্ধমান পৌছনোর পথ নেই। জামালপুরের কারালাঘাট সেতু পেরিয়ে দুরত্ব ৬০ কিলোমিটারের বেশি। আবার সদরঘাটে কৃষক সেতু পার হতেও ঘুরপথে যেতে হবে ৩০ কিমি। বাসিন্দারা তাই দুই সেতুর মাঝে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরেই। বর্ধমান জেলাপরিষদে সেই প্রস্তাব গৃহীতও হয়েছে অনেক আগে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।

নদীতে জল না থাকায় খেয়াপারাপার হয়নি। সেও সাকুল্যে তিনমাস। বাকি ন’মাস বাঁশের অস্থায়ী নড়বড়ে সেতুই ভরসা। সে সেতু পার হতে দিতে হয় টাকা। সাইকেল নিয়ে বা হেঁটে গেলে জনপ্রতি দিতে হয় ৫ টাকা। মোটরসাইকেলের জন্য ১০ টাকা। সেতু তৈরিতে টেন্ডার নেই। তাই প্রকাশ্যে কোনও মালিকও নেই। টাকা আদায় করে সেতু মালিকের মাইনে করা কর্মীরা। মোটা টাকা গুনেও সেতু পারাপারের হ্যাঁপা কম নয়। বাঁশ খুলে পড়েছে অনেক জায়গাতেই। নেই কোনও রেলিংও। সব মিলিয়ে পা হড়কে জলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেজন্যই প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী সেতু তৈরির উদ্যোগ নিক প্রশাসন। বাসিন্দাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

First published: 09:16:36 AM Jun 21, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर