ফের গুলি চুঁচুড়ায়, ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্ক

Mar 20, 2017 06:51 PM IST | Updated on: Mar 20, 2017 06:51 PM IST

#চুঁচুড়া: তারক বিশ্বাস খুনের রেশ কাটতে না কাটতে ফের গুলি চলল চুঁচুড়ায়। আজ বিকেলে, এক নম্বর কাপাসডাঙায় টোটোয় চড়ে ঢোকে চার যুবক। এরপর, তারা এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে এলাকায়। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মনে করা হচ্ছে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্যই এই কাণ্ড ঘটায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। গত ৯ মার্চ, রবীন্দ্রনগর এলাকায় বোমা ও গুলির আঘাতে খুন হয় তারক বিশ্বাস। ঘটনার মূল অভিযুক্ত

মার্চ মাসের ৯ তারিখ সাত সকালে প্রকাশ্যে গুলি-বোমা চালনার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল চু্ঁচুড়ার রবীন্দ্রনগর এলাকায়। ডেরায় ঢুকে তারক বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তিকে গুলি-বোমা ছুঁড়ে খুন করল দুষ্কৃতিরা। গুলিবিদ্ধ আরেক ব্যক্তি অভিষেক হালদারের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক ৷ তিনি কলকাতার একটি হাসপাতালে আপাতত চিকিৎসাধীন ৷

ফের গুলি চুঁচুড়ায়, ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্ক

ঘটনার পর চুঁচুড়ার রবীন্দ্রনগর বাজার-সহ গোটা এলাকা বন্ধের চেহারা নেয়। আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। নামানো হয় RAF পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল আটটার সময় রবীন্দ্রনগর ফুটবল মাঠের উল্টোদিকে 'মা তারা বিল্ডার্স' নামে তার নিজের ইমারতি ব্যবসার অফিসে বসেছিলেন তারক বিশ্বাস।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তিনটে মোটর বাইকে মোট ন’জন দুষ্কৃতি এলাকায় ঢোকে। বাজার ছাড়িয়ে কিছুদূর যেতেই অভিষেক হালদারকে গুলি করে তারা। বুকের তলায় গুলি খেয়ে ছুটে পালাতে গিয়ে পড়ে যায় অভিষেক।তারপর বাইক নিয়ে গিয়ে তারক বিশ্বাসের গলায় প্রথমে বোমা মারে।গুলি চালাতে চালাতে ভিতরে ঢোকে তারক যে চেয়ারে বসেছিল সেখানেও বোমা মারে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায় তারক। তার পিছু ধাওয়া করে দুষ্কৃতিরা।পিছনের দিক দিয়ে লাফিয়ে বাড়ির দিকে পালানোর চেষ্টা করলে ফের গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তারক বিশ্বাসের।

এরপর বোমা ছুঁড়তে ছুঁড়তে এলাকা ছাড়ে দুষ্কৃতির দল। আহত অভিষেক হালদারকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপালে আপাতত ভর্তি করা হয়েছে।বোমা গুলির শব্দে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন। অঘোষিত বনধের চেহারা নেয় রবীন্দ্রনগর এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ ৷ নামানো হয় RAF-ও ৷ পুলিশ জানতে পেরেছে এই হামলার পিছনে বিশাল দাস নামে এলাকার এক অতি পরিচিত দুষ্কৃতীর হাত রয়েছে।তারক বিশ্বাসের ভাই টোটন বিশ্বাস জেলে বন্দী থাকলেও তার বিরোধী গোষ্ঠীর দুষ্কৃতিরা সক্রিয় রয়েছে।টোটোন বিশ্বাস হুগলির কুখ্যাত দুষ্কৃতি।তার শত্রু পক্ষে রয়েছে এই বিশাল দাস। এই হামলা সেই করেছে বলে অভিযোগ।ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিশ। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES