কেষ্টপুরে উদ্ধার ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ, ত্রিকোণ প্রেমের জেরে কী মৃত্যু ? উঠছে প্রশ্ন

Feb 10, 2017 11:30 AM IST | Updated on: Feb 10, 2017 03:26 PM IST

#কলকাতা: কেষ্টপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু। বন্ধুর ভাড়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় মেঘনাদ সাহা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র ইমন দত্তের ঝুলন্ত দেহ। বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে আত্মহত্যা বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। যদিও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি মৃত ছাত্রের পরিবার।

উনিশ বছরের মেধাবী ছাত্র ইমন দত্তের বাড়ি পুরুলিয়া সদরের ডিগুডি পাড়ায়। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কলকাতায় আসে ইমন। পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকত রুবিতে। তবে প্রায়েই যাতায়াত করত কেষ্টপুরে। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকে ইমনের ঘনিষ্ঠ পাঁচ বন্ধু ।বৃহস্পতিবার রাতে সেই ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয় ইমনের ঝুলন্ত দেহ ।

কেষ্টপুরে উদ্ধার ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ, ত্রিকোণ প্রেমের জেরে কী মৃত্যু  ? উঠছে প্রশ্ন

বৃহস্পতিবার পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে যায় ইমন

সিটি সেন্টার সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরে তারা

শরীর খারাপ লাগছে বলে বন্ধুদের কাছ থেকে কেষ্টপুরের ফ্ল্যাটের চাবি চেয়ে নেয় ইমন

বন্ধুদের ছাড়াই ইমন চলে যায় কেষ্টপুরের ফ্ল্যাটে

রাতে বন্ধুরা তিন নম্বর কেষ্টপুরের ফ্ল্যাটে ফিরে দেখে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেক ধাক্কাধাক্কিতে দরজ খোলে না। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে বন্ধুরা দেখে সিলিং ফ্যান থেকে গলায় গামছা লাগিয়ে ঝুলছে ইমন। recons

বন্ধুরাই বাড়িতে খবর দেয়। বৃহস্পতিবারই চারটে চল্লিশের পুরুলিয়া এক্সপ্রেসে বাড়ি ফেরার কথা ছিল ইমনের। দুপুর দুটো নাগাদ মাকে ফোন করে বাড়ি আসার কথা জানায় ইমন । তখন মাকে জানিয়েছিল, মনটা ভালো নেই।

পুরুলিয়ারই এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল ইমনের। তার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনেই কী এই চরম পরিণতি? প্রশ্ন ইমনের পরিবারের।

থানায় অবশ্য কোনও লিখিত অভিযোগ করেনি ইমনের পরিবার। ইমনের পাঁচ বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয় বাগুইআটি থানার পুলিশ।

মেধাবী, শান্ত ছেলেটির এই পরিণতিতে হতবাক বন্ধুরা।

ইমনের মৃত্যুতে তার দাদা সানি দত্ত জানিয়েছেন, ‘ইমন মেধাবী ছাত্র ছিল ৷ ওর পক্ষে আত্মহত্যা করা সোজা নয় ৷ বান্ধবীর সঙ্গে ওর সম্পর্কের কথা জানতাম ৷ সম্পর্কের অবনতি ওর মৃত্যুর কারণ হতে পারে ৷ মৃত্যুর পিছনে অন্য কারণও থাকতে পারে ৷ পুলিশ তদন্ত করে দেখুক ৷’

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES