এই গ্রামের থেকেই পুরীর রথের দড়ি পাঠানোর নির্দেশ ছিল

Jun 25, 2017 11:00 AM IST | Updated on: Jun 25, 2017 11:02 AM IST

#বর্ধমান: প্রাচীন রীতি হয়তো আর নেই। কিন্তু তার রেশ রয়ে গিয়েছে। পুরীর রথযাত্রা একসময় শুরু হত বর্ধমানের কুলীনগ্রামের পাটের দড়ি দিয়েই। ৫০০ বছর আগে শ্রীচৈতন্যদেবের নির্দেশ মেনে রথের দড়ি যেত কুলীনগ্রাম থেকে। সেই পরম্পরা বন্ধ হলেও তিনশো বছর ধরে রথযাত্রা পালিত হয়ে আসছে এখনও।

সে পাঁচশ বছর আগের কথা। কুলীনগ্রামে তখন জমিদারি রাজ বসু পরিবারের। প্রচলিত আছে, চৈতন্যদেবের নির্দেশে শ্রীকৃষ্ণবিজয়কাব্যের রচিয়তা মালাধর বসুর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত বসু বর্ধমানের কুলীনগ্রাম থেকে রথের দড়ি নিয়ে িগয়েছিলেন পুরীতে। সেই দড়িতেই নাকি টানা হয়েছিল পুরীর রথ।

এই গ্রামের থেকেই পুরীর রথের দড়ি পাঠানোর নির্দেশ ছিল

পুরীর বিশালাকার জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে স্নানমঞ্চে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হত কর্কশ গাছের ছালের দড়ি। কিন্তু তা দেখে কষ্ট পান শ্রীচৈতন্যদেব। তারপরেই কুলীনগ্রাম থেকে পাটের দড়ির যাত্রা শুরু।

জমিদার প্রথা লোপ পেয়েছে। পুরীতে আর দড়ি যায়নি। কিন্তু পাট ও শনের উপকরণ ছুঁইয়ে নেওয়া হত রথের দড়িতে। ক্রমে সেই রীতিও বন্ধ হয়েছে। তবে বসু পরিবারের প্রতিষ্ঠিত রথযাত্রা পালন কিন্তু বন্ধ হয়নি। রথে সেজে ওঠে কুলীনগ্রামের জমিদারবাড়ি।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES