জন্মদিনে সত্যজিৎ ও তাঁর স্কেচ বুক

May 02, 2017 02:00 PM IST | Updated on: May 02, 2017 02:03 PM IST

#কলকাতা: সত্যজিৎ রায় তাঁর ছবির চিত্রনাট্য শুধু লিখতেন নয়, প্রত্যেকটি দৃশ্যকে ফুটিয়ে তুলতেন স্কেচের মধ্যে দিয়ে ৷ ‘পথের পাঁচালি’ ছবিটির ক্ষেত্রেও তা ঘটে ৷ দুর্গা-অপুর প্রথম ট্রেন দেখা, কাশফুল, সবই ফুটে উঠেছিল এই স্কেচে ৷ সোমবার সত্যজিত রায়ের জন্মদিনে স্মৃতি উসকে রইল সেই স্কেচগুলি ৷

12-630x420

জন্মদিনে সত্যজিৎ ও তাঁর স্কেচ বুক

এই সেই দুর্গা-অপুর ট্রেন দেখার দৃশ্যের স্কেচ ৷ সর্বজয়া ও দুর্গার রাগ ৷ মাতৃস্নেহ ৷ গোঁফ লাগিয়ে অপুর সাজ ৷ প্রত্যেকটি দৃশ্যই এঁকে ফেলেছিলেন আগে থেকেই ৷

13-630x420

পথের পাঁচালির সেই জনপ্রিয় বৃষ্টি আসার দৃশ্যটিও, আঁকার খাতায় তোলা ছিল বহু আগেই ৷ কালবৈশাখিতে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনো ৷ বৃষ্টিভেজা ৷ স্কেচ বুকে উঠে এল দুর্গা, অপু, সর্বজয়া, হরিহর ও ইন্দিরা ঠাকুরনের নানা চিত্র ৷

14-630x420

১৯৪৩ এর এপ্রিলে তিনি বিজ্ঞাপনী সংস্থা ডিজে কেইমারে জুনিয়র ভিজুয়ালাইজারকাজ করতেন। ১৩ বছর তিনি এখানেই কর্মরত ছিলেন। তবে পথের পাঁচালী ছবির সাফল্যের পর চলচ্চিত্রে মনযোগ দিতে চাকরি ছেড়ে দেন সত্যজিৎ রায় ৷

18-630x420

এর পরে ৩৭ বছর শুধুই চলচ্চিত্র নির্মান করেন। ১ বছরে ১ ছবি এই ছিল তাঁর মূলনীতি। ১৯৮০ এর মধ্যমভাগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর উপন্যাস অবলম্বনে "ঘরে বাইরে"(১৯৮৪) ছবিটি তাঁর আবার চলচ্চিত্রাঙ্গনে ফিরে আসার প্রথম কাজ। শ্যুটিং এর সময় তিনি দুইবার হার্ট অ্যাটার্ক এর শিকার হন এবং তাঁর ছেলে সন্দীপ রায় ছবিটির কাজ শেষ করেন

19-630x420

পরবর্তী চার বছর অসুস্থতার কারনে তিনি চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন।১৯৮৯ তে তিনি ‘গণশত্রু’ এর অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন।এই সিরিজের পরবর্তী ছবিগুলো ছিল ‘শাখা- প্রশাখা’ (১৯৯০) এবং ‘আগন্তুক’ (১৯৯১)। তিন ছবির এই সিরিজটিই তাঁর জীবনের শেষ সিরিজ।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES