৪ বছর পর আজই হয়ত জেল থেকে মুক্তি পাবেন তলোয়ার দম্পতি

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 13, 2017 01:08 PM IST
৪ বছর পর আজই হয়ত জেল থেকে মুক্তি পাবেন তলোয়ার দম্পতি
Talwars
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 13, 2017 01:08 PM IST

 #গাজিয়াবাদ: ৪ বছর পর আজই হয়ত জেল থেকে মুক্তি পাবেন তলোয়ার দম্পতি ৷ আজই জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার কথা রাজেশ ও নুপুর তলোয়ারের। এলাহাবাদের পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে অর্ডার পৌঁছলেই ছাড়া হবে তলোয়ার দম্পতিকে। আরুষি হত্যাকাণ্ডের ন'বছর পর বাবা রাজেশ ও মা নুপুর তলোয়ারকে গতকালই বেকসুর খালাস ঘোষণা করে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ না মেলায় বেনিফিট অফ ডাউট দেয় আদালত।

২০০৮ সালের ১৬ মে নয়ডার বাড়িতে উদ্ধার হয় আরুষি তলোয়ারের রক্তাক্ত দেহ। একদিন পর উদ্ধার হয় পরিচারক হেমরাজের দেহ। তবে তলোয়ার দম্পতি মুক্তি পেলেও দু'টি খুনের রহস্যভেদ এখনও হল না।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আরুষি-হেমরাজ খুনে তদন্তের গতিপ্রকৃতি,

১৬ মে, ২০০৮

------------

শোয়ার ঘর থেকে আরুষি তলোয়ারের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়। সন্দেহ গড়ায় নেপালি পরিচারক হেমরাজের দিকে।

১৭ মে, ২০০৮

-------------------

নয়ডার বাড়ির ছাদ থেকে পরিচারক হেমরাজের দেহ উদ্ধার হয়।

২২ মে, ২০০৮

------------------

পরিবারের বিরুদ্ধে অনার কিলিং-এর সন্দেহ ঘনীভূত হয়।

২৩ মে, ২০০৮

-----------------------

আরুষির বাবা রাজেশ তলোয়ারকে দু'টি খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ।

১ জুন, ২০০৮

----------

মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই।

২৬ জুন, ২০০৮

-------------------

গাজিয়াবাদ ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ তলোয়ারের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়।

২৯ ডিসেম্বর, ২০১০

------------------------

সিবিআই রিপোর্টে ৩ কর্মচারীকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়। বাবা-মায়ের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়।

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

------------------------

তলোয়ার দম্পতির বিরুদ্ধে খুন ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চার্জে মামলা শুরু হয়।

২৫ নভেম্বর, ২০১৩

------------------

গাজিয়াবাদে সিবিআই আদালতে তলোয়ার দম্পতি দোষী সাব্যস্ত হয়। পরেরদিন যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করে আদালত।

২১ জানুয়ারি, ২০১৪

------------------

এলাহাবাদ হাইকোর্টে সিবিআইয়ের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করে তলোয়ার দম্পতি।

১২ অক্টোবর, ২০১৭

-------------------------

দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ না মেলায় বেনিফিট অফ ডাউটে রেহাই।

ন'বছর পর মেয়ে ও তাঁদের পরিচারককে খুনের মামলায় বাবা-মা রেহাই পেলেন। কিন্তু ওইদিন যে দু'টি খুন হয়েছিল, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। তাহলে ওই খুনে অভিযুক্ত কে বা কারা? সেই রহস্য এখনও অধরাই।

First published: 01:08:59 PM Oct 13, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर