প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি (১৯৪৫-২০১৭)

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Nov 20, 2017 03:45 PM IST
প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি (১৯৪৫-২০১৭)
File Photo
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Nov 20, 2017 03:45 PM IST

#নয়াদিল্লি: প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি ৷ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভোগার পর আজ দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি ৷ বেলা ১২টা ১০ মিনিটে জীবনাবসান হয় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা একাধিকবারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ৷

২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর স্ট্রোক হয় প্রিয়রঞ্জনবাবুর ৷  ওই বছর থেকেই তিনি ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে ৷ প্রথমে এইমসে ভর্তি ছিলেন ৷ পরবর্তীকালে তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালে সরানো হয় ৷ শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি হওয়ার পর গত ১০ দিন ধরে আইসিইউ-তে ছিলেন  ৷ মৃত্যুর সময়ে স্ত্রী দীপা দাশমুন্সি এবং পুত্র তাঁর পাশে ছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বিদেশেও চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় প্রিয়রঞ্জনবাবুকে ৷

প্রিয়রঞ্জনবাবুর মৃত্যুতে শোকাহত দেশের রাজনৈতিক মহল ৷ রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ দ্বিতীয়বার পিতৃহারা হলাম আমি ৷ ওঁর হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছি ৷ আমার রাজনৈতিক জীবন ওঁর হাতেই তৈরি ৷ আমার ভাল-মন্দ সবটাই তাঁর হাতে ৷ আমরা ৫০ বছর একসঙ্গে ছিলাম ৷ প্রিয়দা আমার বন্ধু-আমার নেতা ছিলেন ৷ প্রশংসা করলেও সবাই বলত প্রিয়-সুব্রত ৷ নিন্দা করলেও বলত প্রিয়-সুব্রত ৷ রাজনীতিতে এমন জোড়া নাম আর নেই ৷ প্রিয়দার জন্যই আমি রাজনীতিতে ৷ উনি অন্য কিছু করলে আমি সেটাই করতাম ৷ ’’

কংগ্রেস নেতা দেবপ্রসাদ রায় বলেন, ‘‘এটা আত্মীয় বিয়োগের থেকেও বেদনাদায়ক ৷ ওঁর হাতেই রাজনীতির হাতেখড়ি ৷ অনেকেই বলেন, আমার বক্তৃতায় ওঁর প্রভাব আছে ৷ ছাত্র পরিষদের দিন থেকে শেষজীবন পর্যন্ত ৷ শেষ সময় পর্যন্ত আমরা একসঙ্গে ছিলাম ৷ কী বলব, কী বলব না, বুঝতে পারছি না ৷ ’’

ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নেও বড় ভূমিকা ছিল প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি ৷ দীর্ঘদিন AIFF-এর প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন তিনি ৷ তাঁর প্রয়াণে শোকাহত দেশের ফুটবল মহলও ৷ এআইএফএফ সহ-সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন, ‘‘ওঁর পরিকল্পনা ধরেই আমরা এগোচ্ছি ৷ ওঁর জন্যই ফিফার গুরুত্ব পেয়েছি ৷ ওঁর জন্যই যুব বিশ্বকাপ করতে পারলাম ৷ উনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন ৷  তবু ফুটবলকে প্রাণ থেকে ভালবাসতেন ৷ প্রত্যেক খেলোয়ায়াড়কে চিনতেন ৷ ভারতীয় ফুটবলে ওঁর ভূমিকা অপরিসীম ৷ যে কোনও সমস্যায় এগিয়ে আসতেন ৷ ওঁর কথা কোনওদিন ভুলব না ৷ ’’

First published: 01:43:32 PM Nov 20, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर