এবার আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে চলেছে পাকিস্তানের প্রবেশ !

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 30, 2017 11:24 AM IST
এবার আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে চলেছে পাকিস্তানের প্রবেশ !
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 30, 2017 11:24 AM IST

#নিউইয়র্ক: মার্কিন দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে চলেছে পাক শরণার্থীদেরও ৷ হোয়াইট হাউসের অন্দরের খবর, খুব তাড়াতাড়িই অভিবাসন নিষিদ্ধকরণ তালিকায় অষ্টম দেশ হিসেবে ঢুকতে চলেছে পাকিস্তানের নাম ৷ এর আগেই বিশ্বের সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশের শরণার্থীদের মার্কিন মুলুকে প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে জানিয়ে দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷

হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ রেইন্স প্রিবাস জানিয়েছেন, পূর্বতন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলেই বিশ্বে বেড়ে চলা জঙ্গি কার্যকলাপকে নজরে রেখে কয়েকটি দেশকে জঙ্গিদের আতুঁড়ঘর এবং মদতদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ৷ সেই ব্ল্যাক লিস্টে থাকা দেশগুলি থেকেই শরণার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছেন নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ৷ চিফ অফ স্টাফ রেইন্স প্রিবাসই বলেন, এই ৭টি দেশের সঙ্গে সঙ্গে ওই তালিকায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেরও নাম ছিল ৷ তাই অদূর ভবিষ্যতে নয়া অভিবাসন নীতিতে পাকিস্তান ও আফিগানিস্তান থেকে শরণার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন ট্রাম্প ৷

শুক্রবারই বিতর্কিত অভিবাসন নীতিতে সই করেন ট্রাম্প। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আমেরিকায় শরণার্থীদের ঢোকা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি সিরিয়া, ইরাক, সোমালিয়ার মতো সাতটি মুসলিম-অধ্যুষিত দেশের নাগরিকদের প্রবেশেও চারমাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু মার্কিন আদালতে ধাক্কা খেয়েছে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ৷ ইরাক, ইরান, লিবিয়া, সুদান, ইয়েমেন, সিরিয়া ও সোমালিয়া, এই ৭ দেশের নাগরিকদের প্রত্যর্পণে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত ৷ এই সাতটি দেশগুলি থেকে আসা নাগরিকদের আটক করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্রুকলিনের একটি আদালত৷

ট্রাম্প নয়া অভিবাসন নীতিতে সই করার সঙ্গে সঙ্গেই আমেরিকার বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটক করা হয় প্রায় দু'শো শরণার্থীকে। বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও অনেক যাত্রীকে উঠতে দেওয়া হয়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে।

এর প্রতিবাদে মার্কিন প্রশাসন এবং প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করেন জেএফকে বিমানবন্দরে আটক দুই ইরাকি নাগরিক। নিউ ইউর্কের প্রাদেশিক আদালতেও মামলা দায়ের করে 'আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ এডুকেশন' নামে একটি সংস্থা। সেই মামলার ভিত্তিতেই আমেরিকায় শরণার্থীদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ জারি করেন বিচারক। আদালতের নির্দেশে সাময়িক ধাক্কা খেলেও, মুসলিম বিদ্বেষের রাস্তা থেকে তিনি যে সরে আসছেন না, তারই প্রমাণ ট্রাম্পের এদিনের ট্যুইট।

First published: 11:24:29 AM Jan 30, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर