এ গ্রামে খাট-চৌকি থাকা সত্ত্বেও সবাই মাটিতেই ঘুমোন! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 26, 2017 06:31 PM IST
এ গ্রামে খাট-চৌকি থাকা সত্ত্বেও সবাই মাটিতেই ঘুমোন! কারণ জানলে চমকে উঠবেন
Picture Courtesy cc hagen
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 26, 2017 06:31 PM IST

#দক্ষিণ দিনাজপুর: বছরভর মাটিতেই ঘুমোনো। যাঁদের একটু কষ্ট হয় তাঁরাও কেউ খাটে শোওয়ার নাম করেন না। মাটির উঁচু বেদি করে তাতেই ঘুমোন। না দারিদ্রে নয়, ইতিহাস খ্যাত এক তুর্কিবীরের প্রতি শ্রদ্ধায়। পুরুষানুক্রমে এভাবেই কাটানো। ওরা কিন্তু আবার হিন্দু সম্প্রদায়ের। জানেন কি? দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে পীরপাল নামে আছে এমনও এক গ্রাম।

দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের বানগড়ে পুনর্ভবা নদীর ধারে পীরপাল গ্রাম। রাতে দেখতে পাবেন ছেলে-বুড়ো অধিকাংশই ঘুমোচ্ছেন মাটিতে। এক তুর্কি শাসকের সমাধির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না তাঁরা। কান পাতলে শোনা যাবে ইতিহাসের ফিসফাস।

১২০১ থেকে ১২০৬ সাল। ইতিহ্যাস খ্যাত তুর্কিবীর ইখতিয়ারউদ্দিন-বিন-বখতিয়ার-খলজির নজর তখন বাংলায়। সেন রাজাকে হারিয়ে দেবকোট দখল করলেন তিনি। এরপর তিব্বত অভিযানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে ফিরে আসেন। কথিত আছে, পথে তাঁর মৃত্যু হওয়ায় পীরপালেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

দেবকোটেরই পরে নাম হয় বানগড়। অনেকে মনে করেন, এই সমাধি পীর বাহাউদ্দিনেরও হতে পারে। তবে এই অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্য যে ছিল, বানগড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্থাপত্য সেই কথাই বলে। তবে এখন কিন্তু গ্রামে মুসলিম নেই। হিন্দুরাই সম্মান জানিয়ে আসছেন বখতিয়ার খলজির সমাধিকে।

ইতিহাসের পাতায় জায়গা পায়নি পীরপাল। ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পর্যটন মানচিত্রে তকমা পেলে বাড়বে কদর। আশা ইতিহাসবিদদের।

First published: 06:31:12 PM Jun 26, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर