জোড়া বনধে থমথমে পাহাড়, চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে ধর্মঘটকে সমর্থন মোর্চার

Jun 13, 2017 09:00 AM IST | Updated on: Jun 13, 2017 12:04 PM IST

#দার্জিলিং: বনধের জোড়া ফলায় স্তব্ধ পাহাড় ৷ স্কুলে বাংলা পড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাহাড়ে মোর্চার অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের চার জেলায় বনধ ডেকেছেন চা শ্রমিকরাও ৷ প্রশাসনের স্ট্র্যাটেজিতে ঘরের মাটিতে মুখ বাঁচাতে কৌশল বদলে সেই বনধকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে মোর্চা ৷

চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চালুর দাবিতে চার জেলা ও দুই মহকুমায় বনধ ডেকেছে চা শ্রমিকদের মিলিত ফোরাম ৷ ১৩ জুন অর্থাৎ আজ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ও উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে সকাল ৬ থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত চলবে বনধ ৷ তার জেরে ফের নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা পাহাড়ে ৷

জোড়া বনধে থমথমে পাহাড়, চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে ধর্মঘটকে সমর্থন মোর্চার

স্কুল ও পরিবহণকে মোর্চা বনধের আওতার বাইরে রাখলেও, এদিনের চা শ্রমিকদের বনধকে হাতিয়ার করে ধর্মঘট সর্বাত্মক করার প্রচেষ্টায় মোর্চা সমর্থকেরা কয়েকটি জায়গায় জোর করে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ ৷

জলপাইগুড়ি শহরে তেমন প্রভাব পড়েনি বনধের ৷ চলছে গাড়ি, খুলেছে দোকানও ৷ মিশ্র প্রভাব শিলিগুড়িতে ৷ সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক ৷ দূর পাল্লার বেসরকারি বাস চলাচল করছে ৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় নামানো হয়েছে প্রচুর সরকারি বাস ৷ বনধ মোকাবিলায় মোতায়েন র‍্যাফ ও সশস্ত্র পুলিশ ৷

তবে ডুয়ার্সে ভালই প্রভাব পড়েছে বনধের ৷ বানারহাট,নাগরাকাটা,গয়েরকাটা, বীরপাড়ায় বনধের প্রভাব ৷ সকাল থেকেই শুনশান রাস্তা ৷ চলেনি কোনও বাস, বন্ধ দোকান বাজার ৷

আবারও বনধের রাজনীতিতে ফিরেছে পাহাড়। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ডাকে সরকারি অফিসে চলছে ধর্মঘট। ২০১৭ সালে যেন হঠাৎই ফিরে এসেছে নব্বইয়ের দশকের রাজনীতি। নেতার মুখ বদলেছে। সরকারি টাকা দখলে রাখার চেনা কায়দাটা একইরকম। পাহাড়ে রাজ্য সরকারকে নাক গলাতে না দিতেই একের পর এক আন্দোলন সুবাস ঘিসিং থেকে বিমল গুরুংদের। উন্নতম ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে আর কতদিন ভুগবেন পাহাড়বাসী?

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES