চিতাবাঘ গণনার উদ্যোগ নিল রাজ্য বনদফতর

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jul 28, 2017 12:23 PM IST
চিতাবাঘ গণনার উদ্যোগ নিল রাজ্য বনদফতর
Photo : AFP
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jul 28, 2017 12:23 PM IST

#শিলিগুড়ি: চিতাবাঘ সমীক্ষার উদ্যোগ নিল রাজ্য বনদফতর। এতদিন চিতাবাঘ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান ছিল না। বিভিন্ন সময়ে হাতি, বাঘের সমীক্ষা হলেও চিতাবাঘ এধরণের সমীক্ষা হয়নি। একটি সংস্থার মাধ্যমে সমীক্ষা চালানো হবে। আগামী ৩ বছরের মধ্যে সমীক্ষার পূর্ণাঙ্গ মিলবে বলে আশাবাদী উত্তরবঙ্গের বনপাল সুমিতা ঘটক।

লোকালয়ে ঢুকে চিতাবাঘের হামলায় প্রাণ কেড়েছে বহু মানুষের। মানুষের পালটা আক্রমণে প্রাণ গেছে তাদেরও। আতঙ্কের জেরে চিতাবাঘ-মানুষের সংঘাত দীর্ঘদিনের। বেশ কিছু চা বাগানে ছাগলের টোপ দিয়ে খাঁচা বন্দিও করা হয়েছে। চোরা শিকারিদের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে চিতাবাঘের। তাই চিতাবাঘের নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের জন্য সমীক্ষার উদ্যোগ নিল রাজ্য বনদফতর।

উত্তরবঙ্গের চা বাগান লাগোয়া বনবস্তি ও লোকালয়ে বারবার হামলা চালিয়েছে চিতাবাঘ। বহুবার আক্রান্ত হয়েছেন চা শ্রমিকরাও। প্রাণহানিও ঘটেছে। বিশেষ করে গরুমারা, জলদাপাড়া, চাপড়ামারি, এবং বক্সা ব্যঘ্র প্রকল্পে চিতাবাঘের হামলা বেশি। কিন্তু কেন? বনদফতরের তথ্য অনুযায়ী,

কেন হামলা চা বাগানে?

চিতাবাঘ সাধারণত চা বাগানের নালায় আশ্রয় নেয়। কারণ, হাতের কাছেই শিকার পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। চা বাগান লাগোয়া বনবস্তিগুলিতে গৃহপালিত পশু, হাঁস, মুরগি সহজেই মেলে। আবার, চা বাগান িনরিবিলি হওয়ায় সন্তান প্রসবের জন্য নিরাপদ বলে মনে করে চিতাবাঘ। এছাড়াও, সন্তান প্রসবের পর সাধারণত আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাই চা পাতা তুলতে গিয়ে বারবার চিতাবাঘের মুখে পড়তে হয় চা শ্রমিকদের।

লোকালয়ে চিতাবাঘের হামলা রুখতে খাঁচা পাতে বনদফতর। এখনও পর্যন্ত ডুয়ার্সের ৮টি চা বাগান, বিন্নাগুড়ি সেনাছাউনি সহ একাধিক জায়গায় খাঁচা পাতা রয়েছে। সেগুলিকে নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণে রাখেন বনকর্মীরা। বিশেষ করে রাতে চা বাগান লাগোয়া বস্তিগুলিতে চিতাবাঘের হামলার আশঙ্কা বেশি।

চিতাবাঘ সংক্রান্ত সমীক্ষা চালাবে একটি সংস্থা। কীভাবে সমীক্ষা চালানো হবে তার প্রাথমিক রিপোর্টও তৈরি করেছে ওই সংস্থা। সংস্থার দেওয়া রিপোর্টে উল্লেখ...

জঙ্গল, চা বাগান-সহ বিভিন্ন জায়গায় লাগানো সিসিটিভি দেখে চিতাবাঘ চিহ্নিত করা হবে। চিতাবাঘের পায়ের ছাপ, মল, বাসস্থানের নমুনা সংগ্রহ করেও সমীক্ষা চালাবে ওই সংস্থাটি।

উত্তরবঙ্গের বনপাল সুমিতা ঘটকের দাবি, ৩ বছরের মধ্যে সমীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া যাবে। তারপরই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে রাজ্য বনদফতর।

First published: 12:22:06 PM Jul 28, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर