উঃ দিনাজপুরে বিজেপি-র বনধে অশান্তি, ভাঙচুর

Jul 09, 2017 05:29 PM IST | Updated on: Jul 09, 2017 05:29 PM IST

#উঃ দিনাজপুর: উঃ দিনাজপুরে বিজেপি-র বনধে অশান্তি, ভাঙচুর। ৩৪ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে লরির কাচ ভাঙচুর করা হয়। রায়গঞ্জে ২টি সরকারি বাস ভাঙচুর করেন বিজেপি সমর্থকেরা। দোকান-বাজার খুলতে বাধা দেওয়া হয়। হেমতাবাদে গ্রেফতার হয় ৩৫ বিজেপি সমর্থক। বনধ সর্বাত্মক বলে দাবি বিজেপি জেলা সভাপতি নির্মল দামের। গুন্ডামি করে বনধ করানোর পালটা অভিযোগ এনেছে তৃণমূল। কাল চোপড়ায় যাচ্ছে বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শনিবার উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার চাতরাগছে মিছিলে গুলিতে নিহত হন বিজেপি কর্মী বিজয় সিংহ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠে। দলীয় কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার বারো ঘণ্টার জেলা বনধের ডাক দেয় বিজেপি। সকাল থেকে শুনশান ছিল চোপড়া। পতাকা হাতে বনধ সর্বাত্মক করতে বেরিয়ে পড়েন সমর্থকরা। ৩৪ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। অভিযোগ, দোস্তি মোড় ও পাওয়ার হাউজ মোড়ে জোর করে লরি দাঁড় করিয়ে ভাঙচুর চালান বিক্ষোভকারীরা। রায়গঞ্জের নেতাজি মোড়ে দু’টি সরকারি বাসেও ভাঙচুর চলে। জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রীদের।

উঃ দিনাজপুরে বিজেপি-র বনধে অশান্তি, ভাঙচুর

রাস্তায় যান চলাচলও ব্যহত করতে মরিয়া ছিল বিজেপি ।

দোকান-বাজার বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে। হেমতাবাদে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। গ্রেফতার করা হয় অন্তত পঁয়ত্রিশ বিজেপি সমর্থককে। রায়গঞ্জ শহরজুড়ে বাইক র‍্যালি করে বিজেপি। বেলা একটা নাগাদ রায়গঞ্জ শহরে বনধে সমর্থনে মিছিল বের হয়।

চোপড়ার চাতরাগছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা। র‍্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িেত ছিল শোকের ছায়া। নিহতের স্ত্রী চোপড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেেছন।

বনধ সর্বাত্মক ও একশো শতাংশ সফল বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি িনর্মল দাম। জোর করে বন্্ধ করানোর অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি তাঁর। তৃণমূলের পালটা দাবি, গুন্ডামি করে বন্্ধ করেছে বিজেপি।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতার বাড়িতে বসেই খুনের পরিকল্পনা করা হয়। সোমবার চোপড়ায় যাচ্ছেন বিজেপি প্রতিনিধিরা।

দুপুরের পর ফের একদফা বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। ময়নাতদন্ত করে নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ পেতে দেরি হওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ইসলামপুরে একত্রিশ নম্বর জাতী সড়ক অবরোধ করা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়। দিনভর বন্্ধ ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি লেগেই ছিল জেলাজুড়ে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES