পাহাড়ে হিংসাত্মক আন্দোলন অব্যাহত, ভাঙচুর করা হল সিকিমগামী ১০টি গাড়িতে

Jul 13, 2017 11:40 AM IST | Updated on: Jul 13, 2017 11:40 AM IST

#দার্জিলিং: ফের অশান্তি পাহাড়ে ৷ লাগাতার বনধে পাহাড়ে খাদ্য সংকট রীতিমতো চরমে। বুধবারের পর বিদ্যুৎ সঙ্কটের মুখেও পড়তে চলেছেন পাহাড়বাসী। গতকালই পাহাড়ে পাঁচটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে । এই ৫টি কেন্দ্রে মোট ৩৮৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হত। বুধবার জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকারীরা। তারপরই প্রকল্পের কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের।

কালিম্পং লিম্বু জনজাতির বিশেষ বোর্ডের অফিসেও ভাঙচুর মোর্চা সমর্থকরা।যদিও এই ভাঙচুরের অভিযোগ স্বীকার করতে চায়নি মোর্চা। মঙ্গলবার রাতে মিরিকে পঞ্চায়েত বোর্ডের অফিসেও আগুল দিয়েছিলেন মোর্চা সমর্থকরা। আগামীদিনে এমনই জঙ্গি আন্দোলন আরও বাড়ানোরই ইঙ্গিত মিলছে।

পাহাড়ে হিংসাত্মক আন্দোলন অব্যাহত, ভাঙচুর করা হল সিকিমগামী ১০টি গাড়িতে

বৃহস্পতিবার দার্জিলিঙের ধোত্রে এলাকায় বনদফতরের আবাসনে আগুন লাগালোর অভিযোগ উঠেছে গোর্খাল্যান্ড সমর্থকদের বিরুদ্ধে ৷ অন্যদিকে, গভীর রাতে কালিম্পঙের তিস্তায় বনভূমি দফতরের বাংলোয় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ৷

অন্যদিকে, এদিন সকালে ফের সিকিমগামী গাড়ি ভাঙচুর করা হয় ৷ ছোট-বড় মিলিয়ে কালিম্পঙের তারখোলায় ১০টি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় ৷ পণ্যবোঝাই গাড়ির চালকদের বেধড়ক মারধর করা হয় ৷ শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাচ্ছিল গাড়িগুলি বলে জানা গিয়েছে ৷

আন্দোলনের দিন যত গড়াচ্ছে ততই পাহাড়ে মোর্চার ওপর চাপ পাহাড়প্রমাণ হচ্ছে। খাবারের সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়বাসীর পকেটেও টান পড়েছে। অশান্তি তো আছেই, তার উপর বনধের জেরে স্বাভাবিক হয়নি জনজীবন। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তাণ্ডবে পুড়ছে একের পর এক বাড়ি। এখনও বন্ধ দোকান-বাজার। খোলেনি স্কুল-কলেজ। চরম সংকটে পাহাড়ের আমজনতা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES