বিয়ের পণ নিয়ে দর কষাকষির জেরে আত্মঘাতী পাত্রী

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Apr 21, 2017 07:52 PM IST
বিয়ের পণ নিয়ে দর কষাকষির জেরে আত্মঘাতী পাত্রী
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Apr 21, 2017 07:52 PM IST

#জলপাইগুড়ি: বিয়ের পণ নিয়ে দর কষাকষির জেরে আত্মঘাতী পাত্রী ।পাত্র ও তার পরিবার কে গ্রেপ্তারের দাবি তুল্লো গ্রাম । শুক্রবার ধূপগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের আত্মঘাতি কিশোরির বাবার । পাত্রের বাবা শিপ্রা রায় ও পাত্র প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের । পাত্র পক্ষের পনের পরিমান পছন্দ না হওয়ায় আশির্বাদের আগেই বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত পাত্রের বাবার , তার জেরেই লজ্জা ও অপমানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় পম্পি রায় ।

ধূপগুড়ির মাগুরমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালির হাট বসের ডাঙ্গা গ্রামের ঘটনা । গ্রামের মানুষ পরিবার পরিজন আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে বিয়ের পাকা কথা হয়ে যাবার পর পন নিয়ে দর কষাকষির জেরে লজ্জায় অপমানে মা বাবার বেদনা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন এক বিয়ের পাত্রী। এই ঘটনা ধুপগুড়ি শহর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে মাগুরমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালির হাট বসের ডাঙ্গা গ্রামের। এই গ্রামের কৃষক বিশ্বনাথ রায় তার বড় মেয়ে পম্পির বিয়ে ঠিক করেছিলেন কোচ বিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার ডাঙ্গার হাট গ্রামের শিপ্রা রায়ের পুত্র প্রদীপ রায়ের সাথে।

গত ১৬ই এপ্রিল পাত্রের বাবা শিপ্রা রায় এবং আরও কয়েকজন এসেছিলেন কালির হাটের বিশ্বনাথ রায়ের বাড়িতে বিয়ের পাকা কথা বলতে। পন হিসেবে দাবী করেন বাইক নগদ ৫৫ হাজার টাকা আসবাব পত্র এবং মেয়ে সাজাবার উপযুক্ত গয়না। পম্পির মা বাবা রাজি হয়ে ঠিক করেন আগামী রবিবার মেখলিগঞ্জ যাবেন পাত্র আশির্বাদ করতে। কিন্তু এখান থেকে ফিরে যাবার পর পাত্রের বাবা শিপ্রা রায় পরদিন ফোন করে বিশ্বনাথ রায়কে জানান পনের পরিমান বাড়াতে হবে কারন পাত্রী তাদের পচ্ছন্দ হয়নি। এটা করা সম্ভব না হলে তারা পাত্রকে বিয়ের জন্য আনবেন না। এই ঘটনার কথা জানতে পেরে পম্পি লজ্জায় এবং মা বাবার অপমান দেখে মনে মনে ভেঙ্গে পড়ে।

বুধবার বিকেলে সে বিষ পান করে। প্রথমে তাঁকে ধুপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসকরা তাঁকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে রেফার করেন। এখানেই রাত আড়াইটা নাগাদ মৃত্যু হয় পম্পি রায়ের। হাসপাতাল থেকেই জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় খবর দিয়ে বৃহস্পতিবার ময়না তদন্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেহ কালিরহাট গ্রামে নিয়ে এলে গ্রামের মানুষ শোকে ভেঙ্গে পড়ে। বিশ্বনাথ রায়ের এক ছেলে তিন মেয়ে তাদের মধ্যে পম্পি বড়। একাদশ শ্রেণি পর্জন্ত পড়াশুনো করে সে পড়া বাদ দিয়েছে। এদিন গ্রামে গিয়ে দেখা গেল মানুষ শোকাচ্ছন্ন।

First published: 07:52:43 PM Apr 21, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर